২০ কোটি টাকার অনুদান বাতিল— ‘আমাদের পেটে লাথি, পিঠে ছুরি মারা হয়েছে’
২০ ক ট ট ক র অন – বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে দেওয়া ২০ কোটি টাকার অনুদান বাতিল করার ঘটনায় গুরুতর আপত্তি প্রকাশ করেছে। এই অনুদান বাতিলের ফলে নারীদের ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য দেওয়া অর্থ ফেরত নেওয়ায় দেশের সামগ্রিক নারী সমাজ ক্ষুব্ধ হয়েছে। গত ডিসেম্বরে ব্যাংকের করপোরেট শাখায় লিখিত চিঠি পাঠানোর পর সংস্থার কোষাধ্যক্ষ লিখেছিলেন যে পরপর তিন মাসে অর্থ পেয়েছিল না।
অনুদানের তথ্য ও শর্তসমূহ
সংস্থাটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে ২০২২ সালের এপ্রিলে এবং ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোট ২০ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছিল। সোনালী ব্যাংকে এই টাকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এফডিআর হিসেবে স্থায়ী আমানত হিসেবে জমা রাখা হয়েছিল। অনুদানের শর্ত অনুযায়ী লভ্যাংশের ৮০ শতাংশ টাকা নারী ক্রীড়া উন্নয়নে ব্যয় করা হত। বাকি ২০ শতাংশ মূল সিড মানির জন্য ব্যবহৃত হত।
এফডিআর দুটির সিগনেটরি ছিলেন সংস্থার তৎকালীন সভানেত্রী মাহবুব আরা গিনি, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজা করিম নেলী এবং কোষাধ্যক্ষ রওশন আখতার ছবি। প্রতি তিন মাস সংস্থাটি এই স্থায়ী আমানতের লভ্যাংশ গ্রহণ করেছিল। ২০২৩ সালের মার্চ ও এপ্রিলে দুই দফায় টাকা পেয়েছিল না সংস্থা। তারা মোট ১ কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা লভ্যাংশ হিসেবে গ্রহণ করেছে।
২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সরকার পতনের পরও অর্থ প্রাপ্তি স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু এরপর ২০২৫ সালের অক্টোবরে বর্তমান অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে। তারপর থেকে ব্যাংক থেকে টাকা আসা বন্ধ হয়ে যায়।
‘প্রফেসর ইউনূস নিজে দুই কন্যার পিতা। নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি ও ক্ষমতায়নের জন্য সারা জীবন কাজ করেছেন বলে দাবি করেন। তাঁর নোবেল পুরস্কারের অংশীদারও একজন নারী। অথচ তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশের মহিলাদের ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য দেওয়া অনুদান কেড়ে নেওয়া হলো
