রক্তমাখা চিরকুটে ‘রঘু ডাকাতের’ হুমকি, আতঙ্কে গরুর খামারিরা
রক তম খ চ রক ট রঘ – সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার একটি গ্রামে গরুর খামারি বাসিন্দাদের বাড়িতে রক্তমাখা চিরকুট পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হুমকিদাতার নাম চিরকুটে ‘রঘু ডাকাত’ লেখা আছে।
টেকুয়াপাড়া গ্রামে গত পাঁচ দিনে কমপক্ষে ১৫টি বাড়িতে হুমকির চিরকুট পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘরের দরজা খোলা না রাখলে জিন্দা খালাসের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আজকের পত্রিকার হাতে এই বিষয়ে প্রায় ৯টি চিরকুট পৌঁছেছে।
চিরকুটে লেখা হয়েছে, ‘কালকে আপনাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসব, তাই দরজা খোলা রাখবেন। না খুলে রাখলে জিন্দা খালাস। ইতি রঘু ডাকাত।’
আরেকটি চিরকুটে লেখা হয়েছে, ‘আপনার মেয়ের জন্য আজকে বেঁচে গেলেন, ভাইবেন না আবার বাঁচবেন। এই বছরের প্রথমবারের মিছ হলো ঐ ম্যাডামের জন্য। দেখে লেবো, মেয়ে মানুষের এত সাহস ভালো না। কালকে রাতে বাঁচতে চাইলে দরজা খোলা রাখবেন। না রাখলে জিন্দা লাশ বানিয়ে দেবো। ইতি রঘু ডাকাত। কোড নং-০৬।’
গ্রামবাসী জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে ক্লাবঘরে জরুরি বৈঠক চলার সময় দুর্বৃত্তরা আবু সাঈদের বাড়ি থেকে দুটি গরু লুট করতে চেষ্টা করে। আবু সাঈদের মেয়ে ও প্রাইভেট শিক্ষক বিথী খাতুন তা বুঝে চিৎকার শুরু করেন। পরে লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। দুর্বৃত্তরা গরু ফেলে পালিয়ে যায়। রাতে ওই পরিবারের সদস্য জানান, আতঙ্কে পরিবার সদস্যদের রাত জেগে প্রতিরক্ষা করতে হয়েছে।
গ্রামের গরুর খামারি হাজী রফিকুল ইসলাম, শাহাদৎ হোসেন, আজাদুল ইসলাম ও সানোয়ার হোসেন জানান, ডাকাতির বিষয়ে কমপক্ষে ১৫ জনের বাড়িতে চিরকুট পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের চরম আতঙ্কে রাখা হয়েছে।
আমজাদ হোসেন বলেন, গত মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে তিনি বাড়িতে ফিরে দেখেন, তাঁর স্ত্রী সারা খাতুন অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন। ঘরে ঢুকতেই তাঁর নাকে স্প্রের গন্ধ আসে। তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। পরে গভীর রাতে জেগে উঠে দেখেন, শোকেজের লকার ভেঙে ১ লাখ টাকা, ১২ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৫ ভরি রুপার গয়নাসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালপত্র লুট হয়েছে।
টেকুয়াপাড়া মিলন সংঘের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জানান, গত চার দিনে কমপক্ষে ১৫ জনের বাড়িতে চিরকুট পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি চিরকুট পেয়ার পর থেকে ক্লাবের সদস্যরা রাত জেগে গ্রামে �
