বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে কেন ‘ভাইকিং যোদ্ধা’ হয়ে উঠলেন হালান্ডরা
ব শ বক প য ওয় র – সময়ের পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর জয় করেছিল নর্ডিক যোদ্ধারা। ওসলোর একটি নির্জন ফিয়র্ড নদীর তীরে দীর্ঘ সোনালি চুলের একজন ভয়ংকর যোদ্ধা তলোয়ার উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। পাশে কুঠার ও ঢাল হাতে প্রস্তুত এক সামিল হয়েছে আদিম যোদ্ধাদের গোষ্ঠী। কোনো হলিউড সিনেমার সেট নয়, সেই ঐতিহাসিক সূত্র থেকে সরাসরি উঠে আসা মনে হয়।
নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ) গতানুগতিক ছবিতে সেটা গুঁঠুনো দলের ছবি তৈরি করতে চাইছিল। মাঠে ফুটবল বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে দলটি, যা দীর্ঘ ২৮ বছর পর ঘটেছে। এনএফএফ নতুন একটি উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির হাজার বছরের ইতিহাস ও সংস্কৃতি স্মরণ করার জন্য।
ফটোশুটের কাজে ডেভিড ইয়ারো বিশ্বাস করেন যে সস্তা বা যাত্রাপালার ছাপ ছাড়া ছবি হবে না। তিনি চেয়েছিলেন ভাইকিংদের ঐতিহাসিক যাত্রার অনুভূতি ফুটিয়ে তুলতে। সেই উদ্দেশ্যে ওসলোতে ব্যক্তিগত সৈকতে আসল কাঠের লংবোট ও জেটি আনা হয়েছিল। এক ঐতিহাসিক দৃশ্যে পুরো স্কোয়াড সাজানো হয়েছিল ভাইকিং যোদ্ধাদের ছাপে।
নরওয়ের ‘জাতীয় সম্পদ’ আর্লিং হালান্ডের চেয়ে নিখুঁত ভাইকিং আর কেইবা হতে পারে! তাঁকে একজন যোদ্ধারূপে ফুটিয়ে তোলা ছিল আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সহজ কাজগুলোর একটি।
ফটোশুটের দিন ওসলোর সেই সৈকতে প্রায় সবাই উপস্থিত ছিল। কিন্তু দলের অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড অনুপস্থিত ছিলেন। সেদিন আর্সেনালের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তিনি লড়ছিলেন। ছবিতে ওডেগার্ডের জন্য ঠিকঠাক জায়গা খালি রেখে বাকিদের শুট শেষ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওসলোতে পা রাখতেই ওডেগার্ডের একক ছবি তুলে ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে মূল লাইনে যুক্ত করা হয়।
প্রসঙ্গে ইয়ারো বলেন, বিমানে ওঠার ছবিগুলো বড্ড একঘেয়ে। নরওয়েজিয়ানরা তাদের প্রচলিত ধারার বাইরে গেছে একটি বিশেষ কর্ম। দেশের জন্য এই ছবি সম্ভবত বিশ্বকাপের শুরুতে সেরা দলীয় ছবি হতে পারে।
ফটোশুটের সময় মাজার ঘটনার প্রাচীন নকশা হাজির করা হয়েছিল। আরবি লাইপজিগের তরুণ উইঙ্গার আন্ত
