অর্থের কারণে মাকে আনতে পারিনি, বললেন কেপ ভার্দে গোলরক্ষক
অর থ র ক রণ ম ক – আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্ষেত্রে সাফল্যের আনন্দে ভোজিনিয়া কেপ ভার্দে গোলরক্ষক অনেকটা অবাক হয়েছিলেন। স্বপ্ন পূরণের দিনে তিনি মিক্সড জোনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, কিন্তু চোখ বেয়ে নিজের শৈশব আর পরিবারের স্মৃতি ভেবে আবারও অবাক হয়েছিলেন। অর্থের কারণে মাকে আনতে পারিনি এই সফলতার প্রতিটি মুহূর্তে তিনি নিজের বয়স্ক দেহ ও বৃদ্ধ সদস্যদের স্মরণ করেন। তাঁদের জীবনে তিনি সবকিছু জানেন এবং কেঁদেছিলেন ভিসার কারণে তিনি এখানে আসতে পারেননি।
সফলতার পথে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়া
২০২৬ বিশ্বকাপের ম্যাচসেরার পুরস্কার ও অর্থের কারণে মাকে আনতে পারিনি এই সফলতার প্রতিটি মুহূর্তে তিনি আত্মানুভব করেন। তিনি পর্তুগিজ ক্লাব চাভেসের হয়ে খেলেছেন পুরো ম্যাচে পেদ্রি, রদ্রি আর লাপোর্তেদের সাতটি গোল রক্ষা করেন। কেপ ভার্দে মিন্দেলো দ্বীপে বড় হওয়ার সময় তাঁর উচ্চতা কম হওয়ার কারণে অনেক সময় দল থেকে বাদ পড়েছেন। ক্যারিয়ার শুরু হয় তাঁর ২৫ বছর বয়সে, কিন্তু সেই সাফল্য আজ ইতিহাসের পাতায় স্থান পেয়েছে।
আমি কেঁদেছিলাম কারণ আমার দাদা-দাদীর কাছে বড় হয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত আজকের এই দিনে তাঁরা এখানে নেই। কয়েক বছর আগে তাঁরা মারা গেছেন। তাঁরাই ছিলেন আমার সব, আমার জীবনের সবকিছু। আর আমার মায়ের কারণে আবারও কেঁদেছিলাম। ভিসার কারণে তিনি এখানে আসতে পারেননি। ভিসার জন্য যে টাকা দিতে হয়, সেটার কারণে আমরা সময়মতো গুছিয়ে উঠতে পারিনি। আমি চেয়েছিলাম তিনি এখানে থাকুন।
ভোজিনিয়া এই অর্থের কারণে মাকে আনতে পারিনি সফলতার পথটি অত্যন্ত কঠিন ছিল। তাঁর গোল রক্ষা করার ক্ষমতা ও পরিবারের সম্পর্কের প্রতি আস্থা তাঁর শক্তিশালী ভার্দে ক্রিকেটের সাথে পরিচিত। সেখানে তিনি নিজের জীবনে যে সংঘর্ষের মুখোমুখি হয়েছিলেন, সেটার কারণে তিনি তাঁর স্বপ্ন পূরণ করতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। গোলরক্ষকের কথাগুলো স্পষ্ট করে দেখায় যে অর্থের কারণে মাকে আনতে পারিনি এই সমস্যা তাঁর ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা রাখে।
কেপ ভার্দে মিন্দেলো দ্বীপে গোলরক্ষক হিসেবে অর্থের কারণে মাকে আনতে পারিনি এর স্থান নিয়েছেন তাঁর জীবনের আগের ঘটনাগুলো সম্পর্কে। তিনি একটি ছোট স্পোর্টস ক্লাবে খেলেন এবং আগের সময়গুলোতে আস্থার সাথে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে অর্থের কারণে মাকে আনতে পারিনি এই বাধা তাঁকে স্বপ্ন সাধনে সাহায্য করেছিল। অর্থের কারণে মাকে আনতে পারিনি বলে আবারও তিনি অবাক হয�
