Sports

অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের ‘চাচা’

অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের ‘চাচা’

অবসর য চ ছ ন প ক – পাকিস্তানের ক্রিকেট জগতে সবুজ কুর্তা ও টুপি পরা মানুষটিকে চিনতে পারেন না, এমন ক্রিকেটপ্রেমী অত্যল্প সংখ্যায় আছেন। এই মানুষটি পাকিস্তান ক্রিকেটের অপরিচিত অংশ হওয়ার পরিবর্তে সবচেয়ে পরিচিত সমর্থক হয়ে ওঠেন।

প্রথম ম্যাচের স্মৃতি

১৯৬৮-৬৯ সালে ইংল্যান্ডের পাকিস্তান সফরে তিনি লাহোরের গ্যালারিতে প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ দেখেন। এরপর তিনি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের সমর্থক হিসেবে পরিচিত হন। পরবর্তী বছরগুলোতে শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তাঁর উপস্থিতি সবসময় নিয়মিত ছিল।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে কাজ করতেন আবদুল জলিল। পরে তিনি সেই চাকরি ছেড়ে পাকিস্তান দলের সমর্থন জানানো শুরু করেন। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে তিনি ইংল্যান্ডে ওয়াসিম আকরামের নেতৃত্বাধীন দলকে সমর্থন করতে গিয়েছিলেন।

অবসরের নতুন স্বপ্ন

এখন তিনি ৭৭ বছর বয়সী হয়েছেন। নতুন স্বপ্ন তাঁর শহর শিয়ালকোটে একটি রেস্তোরাঁ ও জাদুঘর গড়ে তোলা। ইএসপিএনক্রিকইনফোর সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, “বছরের পর বছর ধরে সংগ্রহ করা স্মারকগুলো আমি জাদুঘরে প্রদর্শন করব। পাকিস্তানকে ৫০০ ম্যাচে সমর্থন দেওয়ার লক্ষ্য আমার ছিল, আমি পূরণ করেছি।”

আমি সবসময় খেলা ও দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এসব করেছি। আমার লক্ষ্য ছিল দেশের একজন ভালো দূত হওয়া এবং মানুষকে আনন্দ দেওয়া।

টুর্নামেন্টে প্রতিশ্রুতি

তাঁর বহু বছরের চেনা স্লোগান তাঁর বিশ্বাস প্রকাশ করে। “খেলাধুলায় এমনটা হয়েই থাকে। কখনো খুশি, কখনো বেদনা। কখনো তুমি জিতবে, কখনো আমি।”

পাকিস্তান ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থা তাঁকে হতাশ করেনি। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখতে শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু তিনি সেটা পূরণ করতে পারেন নি।

গত বছর এশিয়া কাপে ভারতের কাছে পাকিস্তানের তিন হার দেখেছিলেন। এখন ভারতের কাছে পাকিস্তান টানা নয়টি ম্যাচ হেরেছে। এশিয়া কাপের পর আরেকটি হার দেখতে চাইনি।

তবু তাঁর স্মৃতির ভান্ডারে আনন্দের মুহূর্ত কম নেই। ১৯৮৬ সালে শারজাহতে জাভেদ মিয়াঁদাদের সেই বিখ্যাত শেষ বলের ছক্কা এখনও স্পষ্ট মনে আছে। “

Leave a Comment