দলীয় কর্মীদের লুটপাটের জন্য বাজেটের আকার বৃদ্ধি করা হয়েছে: হামিদুর রহমান
বাজেটের বৃদ্ধি ও জনগণের কর চাপ: হামিদুর রহমান আযাদের আক্রমণ
দল য় কর ম দ র ল – জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেন যে বাজেটের বৃদ্ধি দলীয় কর্মীদের পালন করার জন্য করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার মতো বৃহত্তম হয়েছে। কিন্তু এই বাজেটে জনগণের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার দলীয় কর্মীদের পালন করার জন্য কর আয় বৃদ্ধি করেছে এবং গরিবের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন না।
“আলাদিনের চেরাগ পেয়েছেন নাকি যে একলাফে দ্বিগুণ কর আদায় করবেন?” — হামিদুর রহমান আযাদ প্রশ্ন করেন যে বাজেট বড় করা হলেও আয়ের বাস্তব উৎস নেই।
তিনি মন্তব্য করেন যে এ বাজেট দেশের সাধারণ মানুষের ওপর করের চাপ বাড়িয়ে দেবে। জামায়াতে ইসলামী বাজেটের আকার হ্রাস করেছে বলে দাবি করেন, যেহেতু তাদের প্রস্তাবিত বাজেটে দলীয় কর্মীদের লুটপাট হবে না, দুর্নীতি থাকবে না। মাথাপিছু ঋণের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেক মানুষের ওপর বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টাকার ঋণের বোঝা রয়েছে। নবজাতকের ওপরও এই চাপ বর্তায়। ঋণনির্ভর বাজেটের কারণে মাথাপিছু ঋণ ও মুদ্রাস্ফীতির চাপ আরও তীব্র হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিলে আযাদ বলেন, বাজেট প্রণয়নে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ না থাকলে জনবান্ধব বাজেট উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তিনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা ছাড়া জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে অংশ নেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান, মুহাম্মদ শামছুর রহমান প্রমুখ। বিক্ষোভ মিছিল পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগরে প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোক রয়ে
