Politics

৮ লাখ ৩৯ হাজার কোটির ছায়া বাজেট: পঞ্জিকাবর্ষের সঙ্গে মিলিয়ে অর্থবছর চায় জামায়াত

Table of Contents
  1. বিরোধী দল পেশ করেছে ছায়া বাজেট
  2. অর্থবছরের নতুন গণনা প্রস্তাব
  3. খাদ্য প্রকল্প ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ
  4. আর্থিক ব্যবস্থার উদ্বেগ

বিরোধী দল পেশ করেছে ছায়া বাজেট

৮ ল খ ৩৯ হ জ র – আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দল একটি ছায়া বাজেট পেশ করেছে। বাজেটের মোট আয় এবং বৈদেশিক অনুদান মিলিয়ে ৬ লাখ ৭১ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা। এটি দ্বারা সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা, যা জাতীয় সূচকে দুই দশমিক চার শতাংশ। বাজেট বিষয়ে প্রস্তাবনা পেশ করেন জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম খান মিলন। অনুষ্ঠানটি রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থবছরের নতুন গণনা প্রস্তাব

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান অনুষ্ঠানে বলেন, দেশের অর্থবছর পঞ্জিকাবর্ষের সঙ্গে মিলিয়ে গণনা করা উচিত। এতে বৃষ্টি ও বিপর্যয়ের সময় টাকার ব্যয় কম হতে পারে। তিনি দাবি করেন, বর্তমান ব্যবস্থায় বৈদেশিক অনুদান দ্বারা অর্থবছর নির্ধারিত হয়। এটি প্রস্তাবিত ছায়া বাজেটের মোট ব্যয়ের মধ্যে পরিচালন ব্যয় হিসাবে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। এটি দুই দশমিক আট শতাংশ জিডিপি।

বৈদেশিক অনুদানের স্থান পরিবর্তন

প্রস্তাবিত বাজেটে জনপ্রশাসন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা। এটি মোট বাজেটের ২৪ দশমিক শূন্য দশমিক শূন্য শতাংশ। পরিচালন ব্যয়ের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণ ও অগ্রিম খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯ হাজার ৬২ কোটি টাকা। স্বচ্ছতা ও জনশৃঙ্খলা খাতে বরাদ্দ ৩৪ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা বা ৪.১০ শতাংশ।

খাদ্য প্রকল্প ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ

বাজেট বিষয়ে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ৪৫ হাজার ২৮০ কোটি টাকা বা মোট বাজেটের ৫.৩৯ শতাংশ। ক্ষুদ্র খাতে বরাদ্দ ৪ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা এবং স্থানান্তর খাতে বরাদ্দ ২ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। অর্থনৈতিক সার্ভিস খাতে বরাদ্দ ৫ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা।

“আমাদের অর্থবছর হচ্ছে জুলাই থেকে জুন। জুন মাস বর্ষা, খরা, দুর্যোগ, সাইক্লোন—এগুলোতে সাধারণত আমাদের দেশ আক্রান্ত হয়। আমরা লক্ষ করি, এডিপির একটা বিশাল অংশ শেষের দুই মাসে তাড়াহুড়া করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এটি বাস্তবায়ন নয়, এটি হচ্ছে গণলুটপাট। এর সুফল জনগণ পায় না। কিছু অসৎ সুবিধাভোগীর পকেটে সুফল চলে যায়।”

আর্থিক ব্যবস্থার উদ্বেগ

শফিকুর রহমান বলেন, আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক, সাংবিধানিক জায়গায় নির্লজ্জ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ স্পষ্ট। সমাজের অপরাধীদের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসিয়ে �

Leave a Comment