এবার দল গোছাতে উদ্যোগী বিএনপি
এব র দল গ ছ ত উদ – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের পর দলকে নতুন চালানোর জন্য উদ্যোগ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে চলতি বছর দলের জাতীয় কাউন্সিল ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর কমিটি পুনর্গঠন করার আভাস দেখা গেছে। বিএনপির শীর্ষ নেতারা এ বিষয়ে তীব্র আগ্রহ দেখাচ্ছেন এবং নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করেছেন।
অনেক অঙ্গ সংগঠনের ক্ষেত্রে এখন আর এক যুগ ধরে একই নেতৃত্ব বহাল রয়েছে। যেমন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলে প্রায় ১০ বছর ধরে সম্মেলন হয়নি। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সর্বশেষ কাউন্সিল হয়েছে ২০১৪ সালে। দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ ও আংশিক কমিটি দিয়ে চলছে বলে পদপ্রত্যাশী নেতারা হতাশ হয়েছেন। এমনকি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে নতুন কমিটি ঘোষণার দেড় বছর পরও হয়নি।
“কাউন্সিল আমরা করব। কিন্তু এটা করার একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া আছে। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই আমরা এই কাজটা করব।”
বিএনপির যুগম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, দলের জাতীয় কাউন্সিলের জন্য পরিবেশ অনুকূল রয়েছে। তিনি আরও জানান যে দীর্ঘদিন ধরে একই কমিটি দিয়ে চলছে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। তার ফলে কোনো কোনো সংগঠনে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠছে না।
বিএনপির অধিকাংশ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন অনেক দিন ধরে আংশিক কমিটি দিয়ে চলছে। বর্তমানে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির ১৯টি পদে মাত্র ১৪ জন নেতা বহাল রয়েছেন। বাকি পাঁচটি পদ শূন্য। এই অবস্থার কারণে সংগঠনগুলোর কার্যক্ষমতা কমে গেছে।
সরকার গঠনের পর বিএনপির কিছু শীর্ষ নেতা মন্ত্রী হয়েছেন। অনেকে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে তাঁদের সাংগঠনিক কাজে পর্যাপ্ত সময় নেই। তার জন্য সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা পুনর্গঠন করার আভাস রয়েছে।
দলীয় নেতারা মনে করছেন যে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজন দলে নতুন গতি সৃষ্টি করবে। এ অভিযোগ রয়েছে যে তরুণ ও প্রবীণ নেতার সমন্বয়ে আগামী নেতৃত্ব আসবে। সংগঠনগুলোর নেতৃত্বপ্রত্যাশীদের মধ্যে পদ ধরে রাখতে চাওয়া মতবাদ তৈরি হয়েছে। তার ফলে সংগঠনের দুর্বলতা তৈরি হয়েছে যা প্রতিপক্ষের আক্রমণে মোকাবিলা করতে সহায়তা করে।
বিএনপির সূত্র বলেছে যে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে হতাশা ও কোন্দল তৈরি হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দল গোছাতে উদ্যোগী হয়েছে। অনেক শীর্ষ নেতা এখন রাষ্ট্রীয় দায�
