Politics

সংবিধান সংস্কার: সংস্কার প্রশ্নে অনড় বিরোধীরা জোরদার করবে আন্দোলন

সংবিধান সংস্কার: বিরোধীদের প্রতিবাদে আন্দোলন বাড়িয়ে আনা হবে

স ব ধ ন স স ক – সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় বিরোধী জোট অপরিবর্তনীয় স্থিতি বজায় রাখার জন্য বিশেষ কমিটি গঠনে অংশ নেবে না। বিশেষ কমিটিকে তারা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং কমিটিতে অংশ না নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিরোধী দলগুলো সংসদে দাবি উপেক্ষিত হলে সারা দেশে আন্দোলন বাড়িয়ে আনবে।

বিশেষ কমিটি গঠন ও প্রতিবাদ

গত সোমবার জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন সরকারদলীয় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। তবে বিরোধীদের প্রতিবাদে অধিবেশন থেকে বেরিয়ে আসেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হোক। সেই ভিত্তিতে কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই।

‘সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল অংশ নেবে না। দুই-তৃতীয়াংশের জোরে সরকার গণরায় অগ্রাহ্য করছে। তবে এতে দীর্ঘ মেয়াদে তাদেরই ক্ষতি হচ্ছে,’ বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সারোয়ার তুষার।

সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও বলা হয়েছিল, গণভোটে প্রথম দিনে সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। সেই সিদ্ধান্তে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু বিরোধী দলগুলো কমিটি গঠনে অংশ নেবে না বলে দাবি জানায়।

সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় জুলাই সনদের আলোকে গঠিত বিশেষ কমিটির প্রস্তাব প্রথম আসে গত ২৯ এপ্রিল। সে সময় সরকার বলেছিল, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বজায় রাখতে সংবিধান সংস্কার করবে। তবে বিরোধী দলগুলো এই প্রস্তাবে অংশ নেয়নি।

‘সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এনসিপি অংশ নেবে না। আমরা আহ্বান জানাচ্ছি গণভোটের রায় মেনে নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হোক,’ বলেন ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ।

২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর বিএনপি ও জামায়াতসহ ২৫টি রাজনৈতিক দল সনদে স্বাক্ষর করে। পরে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর এনসিপি সনদে স্বাক্ষর করে। জুলাই সনদের ৮৪টি ধারার মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত। এসব বাস্তবায়নের জন্য অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছিল, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সংবিধান সংস্কার পরিষদের দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, গণভোটের রায় অনু

Leave a Comment