Op Ed

সিনেমা

সিনেমা: প্রদর্শনী বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি এবং সংস্কৃতির গুরুত্ব

স ন ম – সিনেমা আমাদের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা গড়ে তোলার জন্য অপরিহার্য। বর্তমানে দেশে সিনেমা হলের সংখ্যা প্রতিদিন হ্রাস পেয়ে যাচ্ছে এবং সিনেমা প্রদর্শনীর সংখ্যা কমে আসার কারণে প্রতিটি পর্দা চর্চার সুযোগ সীমিত হচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় একটি সিনেমা প্রদর্শনী আয়োজনের পর ব্যাপক প্রচারণা শুরু হয় ফেসবুকে যে সিনেমাটির প্রদর্শন বন্ধ করা হয়েছে। সম্ভাব্য উত্তেজনার কারণে জেলা প্রশাসন প্রদর্শনী স্থগিত করে। কসবা উপজেলার তালতলা গ্রামে পুনরায় সিনেমা প্রদর্শন করার উদ্যোগ হয়, কিন্তু সেটিও জেলা প্রশাসন কর্তৃক বাধা দেওয়া হয়।

আইনের অনুমতি এবং বিবাদ প্রতিষ্ঠা

বাংলাদেশ ফিল্ম সার্টিফিকেশন আইন, ২০২৩ অনুযায়ী সিনেমাটি প্রদর্শনের অনুমতি পেয়েছে। তবে সিনেমা প্রদর্শনী চালিয়ে যাওয়া কার্যক্রমে বিবাদ উঠে আসে। প্রশাসন দাবি করে যে সিনেমাটি সংস্কৃতির অবক্ষয় ঘটাবার মতো একটি কাণ্ড। এর আগে শহরের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হেলাল মিয়া এবং তাঁর পরিবার গান গাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য হুমকি পেয়েছিল। এই ঘটনার কারণে সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধ করার যুক্তিটি অস্পষ্ট হয়ে আসে।

সংস্কৃতি বিলুপ্ত করার আশঙ্কা

সিনেমা বিনা সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে চলতে থাকলে সামাজিক যোগাযোগ কমে যাবে এবং মানবিক সংবেদনশীলতাও ক্ষীণ হয়ে পড়বে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক বা সিনেমা মানুষকে একত্র করে বলে গৃহীত হয়। সিনেমা বিনা চর্চার অভাব দৃশ্যমান হয় এবং সংস্কৃতির ধ্বংসের পরিকল্পনা ঘটে। সিনেমা হলের সংখ্যা কমে যাওয়া সামাজিক যোগাযোগের গুরুতর সমস্যা তৈরি করে।

সিনেমা মানুষকে বিভিন্ন জীবনধারা ও ঐতিহ্য বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু এই সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধ করার ফলে সেটি বিনা কোনও অবকাঠা চলতে থাকে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়া সমাজের কল্পনাশক্তি ক্ষীণ হয়ে পড়ে এবং সিনেমা হলে ক্ষীণ হয়ে যাওয়া বিষয়টি অস্বাভাবিক হয় না।

“যেমন এর আগেও শহরের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হেলাল মিয়া এবং তাঁর পরিবারকে গান গাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছিল।”

এই প্রদর্শনী বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি সিনেমার গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে। সিনেমা হলের সংখ্যা কমে গেলে সিনেমার কার্যক্রম সম্পূর্ণ আটকে আসে। বিভিন্ন সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হওয়ার ফলে সম

Leave a Comment