সংসদ অনেক কালারফুল দেখা যাচ্ছে: স্পিকার
স সদ অন ক ক ল রফ – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ ও এক মিনিট নীরবতা পালনের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আমাদের জন্য সংসদ অনেক কালারফুল দেখা যাচ্ছে এমন একটি অনুভূতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নারী সদস্যদের আগমনের ফলে সংসদের মাঠ আগে থেকে কমন ছিল না। বরং এই উপস্থিতি সংসদের সমাজে একটি নতুন ধারণা সৃষ্টি করেছে যা অনেকটা অনুভূতি আঁকড়ে নিয়েছে।
সংসদে নারী সদস্যদের প্রতিনিধিত্বের প্রাসঙ্গিকতা
সংসদ অধিবেশনে নারী সদস্যদের উপস্থিতি এবং তাঁদের ভূমিকার কথা আলোচনা হয়। শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্দেশে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য রেহানা আক্তার রানু একটি প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, ‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক, এই সংসদে আজ বসন্ত। প্রত্যেক রাজনীতিবিদের জীবনের স্বপ্ন থাকে এই মহান সংসদে আসবার। আমরা যে ৫০ জন এই সংসদে এসেছি, আপনি যদি আমাদের কথা বলার সুযোগ দেন, তাহলে আমরা ৫০টি অলংকার নয়, ৫০টি নারী জাতির অহংকার হিসেবে নিজেদের পরিচিত করব।’
রেহানা আক্তার রানু আগে তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আজ থেকে ৩০ বছর আগে আমি আপনার নির্বাচনী এলাকার জনসভায় বক্তব্য দিয়েছিলাম। আমি আপনার জনপ্রিয়তা দেখেছি। আপনি সাতবার এমপি হয়েছেন। আমিও আপনার মতো সাতবার এমপি হতে চাই। এই কারণে এই সংসদে কথা বলার সুযোগ চাই।’
সংসদ কার্যপ্রণালি বিধি অনুসারে পরিচালনা
সংসদ সদস্যের বক্তব্য দীর্ঘ হওয়ায় কার্যপ্রণালি বিধি অনুসরণ করে প্রশ্নে আসার অনুরোধ জানান স্পিকার। তিনি বলেন, সংসদ পরিচালিত হবে কার্যপ্রণালি বিধিমোতাবেক। এ পর্বে একটি প্রশ্ন করার সুযোগ আছে। যদিও সংসদ অনেক কালারফুল দেখা যাচ্ছে, তাই নিয়ম প্রয়োগ করা জরুরি।
‘এখানে রেহানা আক্তার রানু যা বলেছে, সেটা আমি ধরে নেব যে সকল সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যের বক্তব্য। সুতরাং, এটার পুনরাবৃত্তি করার আপনারা চেষ্টা করবেন না।’
‘বক্তৃতা দিয়ে তো সাতবার এমপি হওয়া যায় না। আপনারা এলাকায় মানুষের সঙ্গে মিশে কাজ করেন। আপনারা সাতবার কেন, ২৭ বারও হতে পারবেন ইনশা আল্লাহ।’
