হাইকোর্ট ঘোড়ার মাংসের অবৈধ বাণিজ্য তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন
ঘ ড় র ম স ব ক – ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে সম্পূর্ণ ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত নির্দেশে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা ও আইনি ব্যবস্থা প্রণয়নের জন্য আগামী ৬০ দিনের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে হুমকি দেয়া হয়েছে। এ নির্দেশ বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার জারি করা হয়। এই তদন্ত ঘোড়ার মাংস বিক্রির অপরাধ বন্ধ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে গৃহীত হয়েছে, যাতে বাণিজ্যে যুক্ত পশুগুলোর দুর্দশা দূর করা যায়।
বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং ফাতেমা আনোয়ারের নির্দেশে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ তদন্ত শুরু হয়েছে
বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ রিটে অভিযোগ তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অভিযোগে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করা হয়েছে অবৈধভাবে, যাতে অনেকগুলো পশু বিপন্ন হয়েছে। আদালতের নির্দেশে বিষয়টি পরিপূর্ণ তদন্ত করে এবং ব্যবস্থা নিতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ তদন্ত সম্পূর্ণ করার জন্য আইনি সংস্থাগুলো কাজে নিয়োগ করা হয়েছে।
২০২৫ সালের নভেম্বরে গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগের কারণে যুত্ত অভিযান চালানো হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও র্যাব সংগঠনগুলো একত্রে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করা হয়েছে অবৈধভাবে সন্ধান করে। উদ্ধার করা হয় প্রায় ৩৬টি গুরুতর অসুস্থ ঘোড়া এবং আটটি জবাইকৃত পশু, যাদের সম্পর্কে আরও তথ্য তদন্ত করা হয়েছে। বিপুল পরিমাণ ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করে পরিচালন করা হয়।
অভিযোগ এবং সংক্রমণ বিষয়ে তদন্তের প্রক্রিয়া
সাকিব মাহবুব বলেন, ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং ফাতেমা আনোয়ার বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছেন। অবৈধ জবাই, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিতরণ ও বিক্রি বন্ধ করার জন্য আগামী ৬০ দিনের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে হুমকি দেয়া হয়েছে। অপুষ্টি ও চিকিৎসা ছাড়া ঘোড়ার মাংস বিক্রি করা অপরাধের কারণে আদালত রুলও জারি করেছেন।
অভিযোগে অনুসারে ঘোড়ার মাংস বিক্রির প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করে সেটি পরীক্ষা করা হব
