শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস: বই ছেড়ে কাজে ঢুকছে শিশুরা
শ শ শ রম প রত র – পুরান ঢাকার বংশাল এলাকায় অবস্থিত একটি মোটর গ্যারেজে বাইরে থেকে ঢুকে দেখা যায় শিশুদের বিপুল সংখ্যক। সেখানে লোহা কাটার শব্দ ঝরছে, আর গ্রিজ আর ধোঁয়ার মধ্যে ব্যস্ত কয়েক ছেলে সেখানে কাজ করছে। ছোট্ট এক শিশু বলেছে যে সে গাড়ির যন্ত্রাংশ মেরামত শিখছে।
ঐতিহ্যের মধ্যে শ্রম জীবিকা
ঐতিহ্য ও ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত নয়, বরং সামান্য শ্রমজীবীদের জীবিকার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পুরোনো ব্যবসা থেকে শুরু করে ধাতব কাজ আর খাবারের দোকান পর্যন্ত সবকিছু মিশে একটি নীরব বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়। চিলড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাহ ইসরাত আজমেরী বলেছেন যে শিশুদের দিয়ে কম মজুরিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করা হচ্ছে।
বংশালের একটি মোটর গ্যারেজে কাজ করছে ১৩ বছর বয়সী আরাফাত। সে গ্রামের বাড়ি ভোলায়। তার বাবা রিকশা চালাচ্ছেন এলাকায়। দুই বছর আগে সংসারে শিশু কাজের সময় পায় সামান্য টাকা।
প্রথমে শুধু যন্ত্রপাতি সম্পর্কে শিখতে আসেছিলাম, এখন ইঞ্জিন খুলতে পারি। কাজ শিখতেছি, পরে ভালো মিস্ত্রি হয়ে উঠব।
বাংলাবাজারের কাছাকাছি একটি দোকানে কাজ করছে রহমত (৩০) এবং তার দুই ভাগনা নিশান (১০) আর পারভেজ (১১)। নিশান বলেছে যে পড়ালেখা ভালো লাগে না। তিনি কাজ শিখে পরে ব্যবসা করতে চান।
কামরাঙ্গীরচরের জুতার কারখানায় মারুফ (১৫) আর আকাশ (১২) কাজ করছে। দুজনের গ্রাম বরিশালে। মারুফ বলেছে যে স্কুলে যাওয়ার সময় পাই না। ছয় মাসে সহকারী থেকে কারিগর হয়ে উঠেছে তিনি।
শুরুতে সহকারী ছিলাম, এখন নিজেই কাজ করি।
পিতলের কারখানায় কাজ করছে ১২ বছর বয়সী রাহিম (ছদ্মনাম)। সে সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পিতলের পাত্র পলিশ করছে। নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই সে ধোঁয়া আর ধুলার মধ্যে বিপুল সংখ্যক শিশুকে দেখা যায়।
শুরুতে শেখার জন্য আসছিলাম, এখন পুরো সময় ক
