National

শান্তিরক্ষায় আমাদের মিশনগুলো হতে হবে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর: প্রধানমন্ত্রী

শান্তিরক্ষার ভবিষ্যতে আমাদের মিশন আরও আধুনিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা উপলক্ষে বুধবার বক্তব্য

শ ন ত রক ষ য় আম – আন্তর্জাতিক জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যতে শান্তিরক্ষার জন্য আমাদের মিশনগুলো আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকার সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনীকে স্থায়ী আধুনিকায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি মিশনে অংশগ্রহণ বাড়াতে চলছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে শান্তিরক্ষায় বদ্ধপরিকর হওয়া দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে।’

বাংলাদেশ থেকে শুরু করে বিশ্বের ৪৩টি দেশের ৬৩টি শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করছে প্রায় ২ লাখের বেশি সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ সদস্য। কিন্তু তিনি এটি উল্লেখ করেন যে স্বাধীনতার পতাকাতলে আপনাদের সদস্যরা যে প্রতিকূল পরিবেশে পরিবার থেকে দূরে থেকে নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন, তা সহজ ছিল না।

অনুষ্ঠানে শুরুতে ভিডিওচিত্র দেখানো হয় যাতে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর অবদান দেখানো হয়। এ সময় শহীদ হওয়া ও আহত শান্তিরক্ষীদের পরিবার ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ বাংলাদেশি সামরিক বাহিনী এবং পুলিশ কর্মকর্তা বিশ্বের ১০টি শান্তিরক্ষা মিশনে সততা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

হাইতিতে নতুন শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুরুষের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীতে প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এরপরও সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর ঐক্য বিনষ্টের চেষ্টা চলছে। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সশস্ত্র বাহিনীর ওপর সর্বগ্রাসী আঘাতটি এসেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বিশ্বাসী উল্লেখ করে বাংলাদেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ভূমিকা রক্ষা করেছে। এ কারণে শান্তিরক্ষার ভবিষ্যতে দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর মিশন স্থাপন করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশে শান্তিরক্ষার জন্য এখন পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীর ১৭৫ জন শহীদ হয়েছেন। সেনাবাহিনীর সামরিক বাহিনী বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে শান্তি রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু সেনাবাহিনী দেশের নাগরিকদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আজকের দিনে সশস্ত্র বাহিনীকে বলেন, ‘প্রোফেশনালিজম, ইউনিটি, ডিসিপ্লিন ও চেইন অব কমান্ড’ ছাড়া স্বাধীনতার গৌরব আজ কেমন হতে পারে। বর্তমান বিশ্ব জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ

Leave a Comment