National

‘মঞ্জুর হত্যার বিচার হওয়া উচিত’

‘মঞ্জুর হত্যার বিচার হওয়া উচিত’

মঞ জ র হত য র ব – ১৯৮১ সালের ৩০ মে জেনারেল জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর হাতে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার প্রকৃত কাহিনি এক সময় গোপন থাকে। কিন্তু বিভিন্ন সূত্রে সংগৃহীত জানা-অজানা তথ্যের ভিত্তিতে সাউথ এশিয়ান মনিটরের সম্পাদক ও প্রোব নিউজের আগে প্রধান সম্পাদক ইরতিজা নাসিম আলী একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনটি ১৯৯৪ সালের ৩০ মে থেকে মতিউর রহমান সম্পাদিত দৈনিক ভোরে আট পর্বে ধারাবাহিক আকারে প্রকাশিত হয়। আজকের পত্রিকার পাঠকদের জন্য প্রতিবেদনটি আবার প্রকাশ করা হয়েছে। আজ চতুর্থ কিস্তি।

মেজর মোজাফফরের ভূমিকা

মেজর মোজাফফর চট্টগ্রামের সেনাবিদ্রোহের সময় সব ঘটনা নিকটতম দৃষ্টিতে লক্ষ্য করেছিলেন। সেনাবিদ্রোহের পর মেজর জেনারেল মঞ্জুর ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত তিনি তাঁর সঙ্গে ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। স্বাধীনতার পর তিনি জাতীয় রক্ষীবাহিনীতে যোগ দেন। রক্ষীবাহিনী বিলুপ্ত হয়ে গেলে সেনাবাহিনীতে গ্রহণ করা হন। তিনি পরবর্তীকালে মেজর পদে উন্নীত হন। জিয়ার হত্যার অভিযোগে তিনি মামলার আসামি হন। কিন্তু তিনি বিদেশে চলে যেতে সক্ষম হন এবং তাঁর বর্তমান অবস্থা তা অনুমান করা যায়।

“চট্টগ্রাম সেনাবিদ্রোহের সঙ্গে আমি জড়িত ছিলাম না। তবে চিটাগাঙের অন্য সব সেনা অফিসার ও সদস্যদের মতো আমাকেও জড়িয়ে পড়তে হয়। এ কারণে আমি অনেক ঘটনা স্বচক্ষে দেখতে সক্ষম হই।”

অনেক দিন ধরে সামরিক বাহিনীর মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিতে শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধে যুক্ত হওয়া ও অমুক্তিযুদ্ধে যুক্ত হওয়া সংঘর্ষের কারণে সামরিক বাহিনী ভেতরে দলাদলি হয়। বিশেষ করে অমুক্তিযোদ্ধা পক্ষ এবং পাকিস্তান ফেরত অফিসারদের মধ্যে স্পর্ধা ও বিদ্বেষ চরম পর্যায়ে উঠতে শুরু করে। সুবিধাবাদী অমুক্তিযোদ্ধারা একে কাজে লাগিয়ে নিজেদের হীন স্বার্থ পূরণ করতে থাকে। সে কারণে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের প্রতি কিছুটা পক্ষপাত ছিল।

সামরিক অভ্যুত্থানের পরিকল্পনাটি মুক্তিযোদ্ধা পক্ষের কিছু মানুষের মাথায় ঠাঁই পায়। অমুক্তিযোদ্ধা পক্ষও চ

Leave a Comment