জেন্ডায়ার কানে দুল সৃষ্টি করেছে তীব্র বিতর্ক
ত ন হ জ র বছর র – হলিউডের তারকারা সবসময় জেন্ডায়ার পোশাক ও ফ্যাশন সেন্স প্রশংসা করেন বলে পরিচিত। তবে সম্প্রতি তিনি দ্য ওডিসি সিনেমার একটি ইভেন্টে পরিচিত হয়েছেন কানে দুল বিতর্কে। ৫ জুলাই লন্ডনে একটি ফটোশুট ইভেন্টে তাঁর কানে স্থাপন করা হয়েছিল প্রায় তিন হাজার বছরের পুরোনো ইরানি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এই অলংকার জুড়ে ইতিহাসবিদ, সংস্কৃতিপ্রেমী এবং নেটিজেনদের তীব্র সমালোচনা ঝড় ঝটিকা সৃষ্টি করেছে।
জেন্ডায়া এই ইভেন্টে কাস্টম হোয়াইট জ্যাকমুস গাউন পরেন। তবে সবার নজর কাড়ে তাঁর কানের ভারী সোনালি দুল জোড়া। ফ্যাশন একটি দুনিয়া তাঁর এই লুকের প্রশংসা করেছে, কিন্তু ইতিহাসবিদদের মতে এটি সাংস্কৃতিক নৈতিকতার একটি বিতর্ক উসকে দিয়েছে। বিশ্বকোষ ব্রিটানিকা অনুযায়ী এই কানের দুল খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দীর মেডিয়ান আমলের শিল্পকলার অংশ।
প্রাচীন সভ্যতার সম্পত্তি বিতর্কে জড়িত
১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে উত্তর-পশ্চিম ইরানে এই জিউইয়ে গুপ্তধন আবিষ্কৃত হয়েছিল। কিন্তু কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক দলের তত্ত্বাবধানে উদ্ধার হয়নি, বরং স্থানীয়ভাবে লুণ্ঠন ও চুরি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এর বিভিন্ন অংশ ইউরোপ-আমেরিকার ব্যক্তিগত সংগ্রাহকদের কাছে চলে যায়। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, তিন হাজার বছরের পুরোনো মানবসভ্যতার এই অমূল্য নিদর্শন কোনো সেলিব্রিটির কানের দুল হতে পারে না।
তাঁদের মতে এটি কোনো দেশের জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকা উচিত। একজন মার্কিন অভিনেত্রীর কানে লুণ্ঠিত ইরানি স্মারক ঝুলিয়ে রাখাকে তাঁরা ভালো চোখে দেখছেন না। এটি স্পষ্টতই ঔপনিবেশিকতার প্রতীক এবং এই স্মারক ইরানের কাছেই ফেরত দেওয়া উচিত।
লন্ডনের বিখ্যাত জুয়েলার গ্লেন স্পিরো তাঁর মেটেরিয়ালস অব দ্য ওল্ড ওয়ার্ল্ড কালেকশনের অংশ হিসেবে এই প্রাচীন স্মারককে ১৮ ক্যারেট হলুদ সোনা ও হীরা দিয়ে মুড়িয়ে কানের দুলে রূপান্তর করেন। গ্লেন স্পিরোর কাছ থেকে এই অলংকার সংগ্রহ করে লন্ডনের লাক্সারি ব্র্যান্ড ব্যারন লন্ডন।
তীব্র বিতর্কের মুখে সিএনএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ব্যারন লন্ডন জানিয়েছে, এই কানের দুলগুলো বিক্রির জন্য নয়, বরং তাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহে সুরক্ষিত রয়েছে। তাদের দাবি, লকেটগুলোর মূল গঠনে কোনো পরিবর্তন বা ক্ষতি না করে অত্যন্ত নিরাপদ ও সুরক্ষিত উপায়ে এগুলোকে দুলে রূপ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের সমৃদ্ধ শিল্প ও দীর্ঘস্থায়
