১৮ বছর আগে স্ত্রী হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, অবশেষে মিলল মুক্তি
১৮ বছর আগ স ত র হত – আজ মঙ্গলবার যশোরের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বেঞ্চে আইনজীবীদের দাবি অনুসারে আসামি আব্দুল্লাহ মুক্তির বার্তা পেয়েছেন। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান দুটি মামলার প্রতিবেদন করেছেন। মৃত্যুদণ্ডের সাজা থেকে খালাস পেয়েছেন আব্দুল্লাহ নামের ব্যক্তি। তদন্তে দুর্বলতা, প্রত্যক্ষদর্শী না থাকা ও আলামত না থাকার কারণে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে আইনজীবীদের তরফে জানানো হয়েছে।
স্ত্রী ও অনাগত সন্তানকে হারানোর পর থেকে এই মামলার ঘটনাটি বিশেষ করে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। মামলার নথিগুলি অনুসারে যশোরের অভয়নগরে ২০০৮ সালের ১৫ জানুয়ারি বিকেলে স্বামীর বাড়িতে নিজ ঘরে গৃহবধূ সবুরা বেগম অগ্নিদগ্ধ হন। সেই দিন তিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে পরদিন মৃত সন্তানের জন্ম হয়। ঘটনার পর দিন পর আব্দুল্লাহকে এবং অন্যান্য আসামিকে জামাতা আব্দুল্লাহসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সবুরার বাবা সামছুর শেখ। যশোরের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বেঞ্চ থেকে ২০১৯ সালে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।
পরবর্তীতে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। গ্রেপ্তারের পর আসামি আব্দুল্লাহ জেল আপিল করেন। তাঁর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তাসাদ্দর রায়হান খান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। আইনজীবী তাসাদ্দর রায়হান খান বলেন, মামলার নথি অনুসারে ঘটনার ৭ দিন পর মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ ছিল হাত-পা বেঁধে কেরোসিন তেল দিয়ে আগুন লাগানো। কিন্তু পুলিশ কোরোসিনসহ যেসব উপকরণে আগুন লাগিয়েছে তা জব্দ তালিকায় দেখায়নি।
তিনি যদি আগুন লাগাতেন তাহলে পালিয়ে যেতেন। কিন্তু তিনি হাসপাতালে ভিকটিমকে চিকিৎসা করিয়েছেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক আরও বলেন, মামলার প্রমাণে স্বামী ঘটনাস্থলে ছিলেন বা ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন তা প্রমাণ করতে পারেনি। আর কি দিয়ে আগুন লাগিয়েছে সেটাও প্রমাণ করতে পারেনি।
