জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হন
জ ত স ঘ র ন র – জাতিসংঘের নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীকে আট ভোটে হারিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১ তম অধিবেশনে বৈধভাবে নির্বাচিত হন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণে তার নীচে থেকেছেন। সভাপতি পদটি নির্বাচিত হয়েছে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংখ্যাগুরু সমর্থনের বিপরীতে। জাতিসংঘের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ড. খলিলুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বী হারিয়ে সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদটি অর্জন করেছেন।
বাংলাদেশের সমর্থনের ভূমিকা
বাংলাদেশ জাতিসংঘের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনেক সময় প্রতিদ্বন্দ্বী বাছাই করা হয়। তবে এই বার এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য প্রার্থী বাছাই করা হয়েছিল এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ হিসেবে প্রার্থী দাবি করেন। এই জাতিসংঘের নির্বাচনে সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদটি বরাবর অঞ্চলগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশের সমর্থন ছিল বিশেষ আকারে এবং এই বিজয় তাদের স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশের বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠা বৃদ্ধি করার দিকে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিযোগিতা
প্রার্থীদের নিজেদের কর্মপরিকল্পনা সারাদিন পরিচিত করার জন্য জাতিসংঘের নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (২ জুন) নিৰ্বাচন কর্মসূচি অনুসারে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে বোঝাপড়া হয়। ড. খলিলুর রহমানের সফলতা তাঁর শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং জাতিসংঘের নির্বাচনে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের একটি প্রতিফলন।
জাতিসংঘের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস বাংলাদেশকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে পরিচিত করেন। ভোটাভুটিতে ড. খলিলুর রহমান এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বী হারিয়েছেন যেখানে তিনি ৯৯ ভোট পেয়েছেন, আর কাকোরিস পান ৯১ ভোট। সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদটি নির্বাচিত হয় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের নির্বাচন বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে প্রমাণ করেছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের নির্বাচনে তাদের বৈশ্বিক আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠা বাড়ানোর জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা করেছে। তাদের নির্বাচনে এই বিজয় বিশ্বের অনেক প্রতিনিধির কাছে ভূমিকা রাখে।
জাতিসংঘের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ প্রথম দিকে ফিলিস্তিনের প্রার্থী দাবি করেছিল, কিন্তু পরে তারা প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেয়। এর পর জাতিসংঘের নির্বাচন বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে ওঠে। অঞ্চলের �
