ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব চালিয়েছে সবচেয়ে বড় বাধা
জম র ব শ র ভ গই – এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ২০৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক সম্প্রসারণ করার কাজে জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব সবচেয়ে বড় অ্যাডভান্স হয়েছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ মূল প্রকল্পের কাছে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জমি বুঝে পেয়েছে বলে জানা গেছে। এ কারণে ঠিকাদারদের কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ বাড়ছে না। মেয়াদ দীর্ঘ হওয়ার পাশাপাশি ব্যয় বৃদ্ধি ঘটছে তার পরিণতি হিসেবে।
জমি অধিগ্রহণে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ হবিগঞ্জ ও সিলেটে
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার জন্য প্রয়োজনীয় জমি প্রায় ১ হাজার ৩৩ একর। সেখানে এখন পর্যন্ত মাত্র ২৭৭ দশমিক ২৫ একর দখল করা হয়েছে। নরসিংদীতে ১৫৮ দশমিক ০৩ একরের মধ্যে মাত্র ৩৪ দশমিক ৩৫ একর, হবিগঞ্জে ৩০২ দশমিক ৮৯ একরের মধ্যে ৮৯ দশমিক ৭৫ একর এবং সিলেটে ২৫৪ দশমিক ৯৫ একরের মধ্যে কেবল ৪৮ দশমিক ৫৬ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সম্পূর্ণ জমি পেয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। মৌলভীবাজারে প্রায় সম্পূর্ণ জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
জমি না পেলে ঠিকাদারের কাজ কীভাবে চালানো যাবে?
গত মার্চে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ প্রতিবেদন জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে সড়কের নির্ধারিত পথে বিপুল স্থাপনা থাকায় আপত্তি ওঠার কারণে ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম জটিল হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক এ কে এম ফজলুল করিম জানান যে কাজের সুযোগ তৈরি হলে সেখানে নির্মাণ কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। জমি না পেলে ঠিকাদার কীভাবে কাজ করবে তা নিশ্চিত হওয়া দরকার।
‘জমি অধিগ্রহণ ও পরিষেবা লাইন সরানোর কাজ সম্পন্ন হলে প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করা সম্ভব হবে। জমি না পেলে ঠিকাদার কাজ করবে কীভাবে? জমি অধিগ্রহণের জটিলতায় সময়মতো নির্মাণকাজ শুরু করতে পারছে না প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।’
ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা আছে বলে জানা গেছে
প্রকল্প পরিচালক বলেন, মূল পরিকল্পনার ভিত্তিতে সড়ক প্রশস্ততা বাড়ানো কারণে স্থানীয় যানবাহনের
