অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত রাজকুমারী ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রার প্রতি হামলার অভিযোগে ব্যক্তিকে দুই বছর নিষেধাজ্ঞা
অস ট র ল য় য় অধ – অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত নরওয়ের রাজকুমারী ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রা এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন একজন ভালো মানুষ হিসেবে চিহ্নিত এক ব্যক্তি। বুধবার (৩ জুন) সিডনির নিউটাউন আদালত ডেভিড জেমস কুক নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই বছরের একটি ‘সহিংসতা রোধের আদেশ’ (Apprehended Violence Order) জারি করেন। আদেশ অনুযায়ী, কুক সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন না, রাজকুমারীর বিষয়ে অনলাইনে অনুসন্ধান চালাতে পারবেন না এবং তাঁর বা তাঁর পরিবারের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতে পারবেন না। এই ধরনের আদেশ সাধারণত কাউকে সহিংসতা বা ভয়ভীতি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রযোজ্য। আদালতে তিনি সাংবাদিকদের জানান, রাজকুমারীকে পাঠানো একটি শুভেচ্ছা কার্ডের জেরেই এই আদেশ জারি হয়েছে।
আদেশের মূল কারণ ও প্রতিক্রিয়া
কুক বলেন, তাঁর রাজকুমারী ইনগ্রিডকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ায় আসার পর তিনি তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। অনুষ্ঠানে তাঁদের আলাপ হয়েছিল, পরে কার্ডটি পাঠানো হয়। তিনি আরও জানান, হামলার ইচ্ছা তাঁর ছিল না। তিনি তাঁর নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের সাথে দুই বছরের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে বাধ্য হবেন।
নরওয়ের রাজকুমারী ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রার ব্যক্তিগত পরিচয়
রাজকুমারী ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রা নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্স হাকন এবং ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিতের কন্যা। তিনি গত বছর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নে আসেন। বর্তমানে তিনি সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি গুরুতর অসুস্থ মাকে দেখতে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া থেকে নরওয়েতে ফিরে গেছেন।
অস্ট্রেলিয়ায় স্থানান্তরিত হওয়ার পর কুক রাজকুমারী ইনগ্রিডের প্রতি তাঁর সম্পর্ক বিস্তারের জন্য অনুরোধ পাঠান। তবে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগের পর এক সংবাদচিত্র গ্রাহককে হামলার অভিযোগে কুককে অভিযুক্ত করেছে পুলিশ। তাঁকে হাজির করার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় স্থানান্তর সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই আলোকচিত্রী সামান্য আহত হয়েছেন। পরে কুককে পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি দেওয়া হয�
