গণ-অভ্যুত্থানের প্রতীক হিসেবে জুলাই ইতিহাস রক্ষা করা হলো
চব ব শ র মত ঘটন আর – বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে অনুষ্ঠিত এক স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ভবিষ্যতে চব্বিশের মতো ঘটনা আর ঘটবে না। এ সিদ্ধান্ত গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা।
জনগণের ভোটে সরকার গঠন ও প্রতিষ্ঠার সংকল্প
তিনি জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন, জনগণের ভোট দ্বারা সরকার ক্ষমতায় আসবে এবং জনগণের ইচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়তে পারে। নিয়মিত নির্বাচন দ্বারা যে সরকার গঠিত হয়, তার প্রতি জনগণের কথা শুনতে হবে। গণতন্ত্র এভাবেই কাজ করে।
“আমরা চেয়েছি এমন একটি দেশ যেখানে সরকার জনগণের ভোটে আসে এবং তার কাজ জনগণের স্বাধীন মতামত নিয়ে হয়। এটাই হলো গণতান্ত্রিক রীতি।”
এই অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ, আহত যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শন এবং ইতিহাস রক্ষার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এটি তাঁদের আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের ইতিহাস বর্ণনা করে।
সাংস্কৃতিক উদ্যোগ ও সম্মান প্রদর্শন
অনুষ্ঠানে গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে বিশেষ পর্ব ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা প্রদর্শিত হয়। মেটাল এরর ও কুঁড়েঘর ব্যান্ড দ্বারা অনুষ্ঠিত এ পরিবেশনার মাধ্যমে দেশের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয়।
বক্তাদের মতে, জুলাই কেবল একটি তারিখ নয়, এটি ন্যায়, স্বাধীনতা ও জাতীয় ইতিহাসের এক প্রতীক। ভবিষ্যতে এ চেতনা প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে, যার জন্য ইতিহাস রক্ষা, গবেষণা ও প্রামাণ্য দলিল তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।
সমাপনী পর্বে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন সংগঠনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, যাদের মধ্যে রয়েছে অভিনেতা হেলাল খান, বিএফডিসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি চৌধুরী মাজাহার আলী। সম্পূর্ণ সমন্বয় করেন বিসিটিআই।
