ফুলবাড়ীতে রথযাত্রা আয়োজন করেছেন ভক্তরা
ফ লব ড় ত আনন দ উচ – পূর্ব পূজা অনুষ্ঠানের পর ফুলবাড়ীর কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী শ্যামা কালী মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মের আনন্দময় রথযাত্রা। সন্ধ্যার বাজার হার্ভে করতাল এবং শঙ্খ বাজনী প্রাচুর্যে রথটি টেনে পৌর শহরের সুদূর কোণাগুলো অতিক্রম করে। উৎসবে ভাগ্য বন্ধন করেছেন মানুষ এবং রথযাত্রার সাথে সাথে ভক্তদের দিয়ে নানা বয়সের মানুষ মিশেছে।
অনুষ্ঠানের সময় দুপুর ২টায় উদ্যোগ করেছে রথযাত্রা উদ্যাপন কমিটি। প্রাঙ্গণে উপস্থিত হতে শুরু করেন ভক্তদের ঢল। উপজেলা ও আশপাশের এলাকা থেকে আসা শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের শ্রদ্ধাপ্রাণ ভক্তরা খুব উৎসুক হয়েছেন।
উৎসবে মিশেছে ঐতিহ্য ও স্বেচ্ছাসেবকের উদ্যোগ
সন্ধ্যার প্রাচুর্যে রথযাত্রার উদ্যোগে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকের মধ্য দিয়ে আয়োজন সুসজ্জিত হয়েছে। রথটি পরিচালনা করেছেন ফুলবাড়ী কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী শ্যামা কালী মন্দিরের সভাপতি জয়প্রকাশ গুপ্ত। তিনি বলেন, ফুলবাড়ী রথযাত্রা হল সম্প্রীতির প্রতীক এবং দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের প্রতিফলন। প্রতি বছর হাজারো ভক্ত যোগ দেন এই উৎসবে এবং এই বারও তারা আনন্দিত হয়েছেন।
“রথযাত্রা শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও প্রতিবেশের আনন্দ ভাগ করে দেয়।”
প্রতিবেশীদের সহযোগে রথটি পরিচালিত হয়েছে যেখানে ভক্তরা সাধনার সাথে একত্র হয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবক ও আয়োজকদের জুড়ে পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল। ফুলবাড়ী থানার ওসি আব্দুল লতিফ শাহ বলেন, “পুরো উৎসব আনন্দ উদ্দীপনার মধ্যে ঘটেছে যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগে স্বতঃস্ফূর্ত প্রচেষ্টার ফলে সম্প্রীতি ও শ্রদ্ধার সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধাভরে যোগ দিয়েছেন যুবক-যুবতী
যুবক-যুবতীদের মধ্যে মিলনমেলা ও স্বীকৃতি রয়েছে। সুবর্ণা রায়, বীথি রায় ও মেঘা গুপ্তা বলেন, “আমাদের কাছে রথযাত্রা হল আনন্দ, ভক্তি ও সামাজিক বন্ধনের প্রতিফলন। এই উৎসবে পরিবার সহ অংশ নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।”
প্রতিবছর একই মত অনুভব করে ভক্তরা। এবারের রথযাত্রায় সবাই অংশ নিলে অনুষ্ঠানের স্বরূপ বিশেষ হয়েছে। রথটি পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শ্যামা কালী মন্দিরে স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে ধর্মীয় আলোচনা, গীতা পাঠ ও ভক্তিমূলক সংগীতের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া গেছে।
ফুলবাড়ী কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী শ্যামা কালী মন্দির প্রাঙ্গণে কেন্দ্রীয় শিব মন্দিরে নিয়ে আসা হবে উল্টো রথযাত্রা। ২৪ জুলাই পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী উৎসব চালু থাকবে এবং তখন রথটি শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের স্থানে ফিরে আসবে।
