Lifestyle

বারান্দার বিলাসিতা বাগানবিলাসের যত্ন যেমন হওয়া চাই

বারান্দার বিলাসিতা বাগানবিলাসের যত্ন যেমন হওয়া চাই

ব র ন দ র ব ল – আধুনিক জীবনে বাড়ির সামনে বাগান রাখা কঠিন কাজ হয়ে উঠেছে। প্রায় সকলেই প্রাইভেসি রক্ষা করতে এমন বারান্দা খুঁজে পায় যেখানে লতানো গাছগুলো সৌন্দর্য নিয়ে ছায়া তৈরি করে। কিন্তু অনেকে এই বিষয়ে কীভাবে সমাধান খুঁজতে পারেন তা জানেন না।

প্রাইভেসি ও সৌন্দর্য বাড়ানোর সমাধান

বারান্দায় লতানো গাছ রাখা সহজ করে দেয় বাগানবিলাসের খুব সুন্দর দেখা। গ্রিল দিয়ে বারান্দার আঁটাআঁটি প্রাইভেসি তৈরি করতে পারেন লতানো গাছগুলো দিয়ে। এতে কেবল রূপ ও মনোরমতা বাড়ে না, গাছগুলো চারপাশে প্রাইভেসি রক্ষা করে তাও। ম্যাজেন্টা, গোলাপি বা সাদা বাগানবিলাস গাছ ব্যবহার করতে পারেন। কারণ এই ফুলগুলো কখনও কখনও রূপান্তর পেয়ে দেখায় অন্য রকম।

ফুলের রং আপনার বারান্দা সৌন্দর্যের বিশেষ সাহায্য করে। সারা বছর ফুল শোভা দেয় সাধারণত প্রায় সব ধরনের গাছ ব্যবহার করেন। কিন্তু টবে গাছ লাগানো জন্য আপনার নির্দিষ্ট টবে সময় করা প্রয়োজন হয়।

বাগানবিলাসের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া

গাছ লাগানোর জন্য প্রথমে খুব ছোট টব ব্যবহার করেন। যে টব এত গভীর না হয়, মোটামুটি ১০-১৪ ইঞ্চি গভীর হওয়া দরকার। এরপর সারা বছর বাগানবিলাসের যত্ন নেন। মাটি যেন ভিজে না থাকে রক্ষা করুন। বাগানবিলাসের খুব বেশি শেকড় বাড়ে, তাই পুনরায় পটিং করতে হয় দুই বছর পর।

মাটির গাছ বাড়ানো সহজ হয় খুব বেশি তাপমাত্রা থাকার কারণে টবে রাখাই ভালো। বাগানবিলাস গাছে সরাসরি সূর্যালোক প্রয়োজন হয়। দক্ষিণ দিকে রাখুন যদি ঘরের ভেতরে করতে চান। গাছ যেন দিনে অন্তত পাঁচ-ছয় ঘণ্টা রোদ পায়।

খুব ছোট টবে বাগানবিলাস করতে চাইলে বুশি বা ডোয়ার্ফ ধরনের গাছ কিনুন। এগুলো খুব বেশি বড় হয় না, কিন্তু প্রচুর ফুল দেয়। কাঁকড়া হয় না এবং দেখতে অনেক ভালো লাগে। টবে গাছ লাগানোর জন্য রোজেস্কা (গোলাপি), মিস অ্যালিস (সাদা) বা ক্রিমসন জুয়েল (লাল) ইত্যাদি পছন্দ করুন।

নতুন গাছ কিনে আনার পর মাটি যেন ভিজে থাকে এভাবে রোজ পানি দিন। দুই সপ্তাহ পর সার দিতে পারেন। শীতকালে সার দেওয়া কম প্রয়োজন। বারান্দার বিলাসিতা বাগানবিলাসের যত্ন যেমন হওয়া চাই।

সূত্র : দ্য স্প্রাউস ও অন্যান্য

Leave a Comment