ফিফা বিশ্বকাপে করপোরেট ব্র্যান্ডিং হারিয়ে গেল টরন্টো স্টেডিয়াম
য সব ম ঠ করপ র ট – আইভরি কোস্ট ও জার্মানির মধ্যে আজ রাত ২টায় হবে ম্যাচ। তবে টরন্টোর বিএমও ফিল্ড মাঠটি এই ঘটনার সাথে কোনও সম্পর্ক রাখে না। এই স্টেডিয়ামটি স্থানীয়দের জন্য বিখ্যাত, কিন্তু ফিফার নিয়মের ফলে এখন এটি আগের মতো পরিচিত হয়ে উঠেছে না।
ফিফা বিশ্বকাপে স্পনসরশিপ চুক্তি মেনে চলার জন্য মেগা টুর্নামেন্টের আয়োজনে স্টেডিয়ামের করপোরেট নাম ও লোগো সম্পূর্ণ আবৃত করা হয়েছে। এমএলএসের টরন্টো এফসি এবং সিএফএলের টরন্টো অ্যারগোনেটস দুটি দলের জন্য এটি সাধারণত করপোরেট লোগো দিয়ে সজ্জিত থাকে। কিন্তু এবার ফিফার নীতির কারণে সেগুলো সম্পূর্ণ লুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মূল প্রবেশদ্বারে সাদাসিধে চাদর বা ত্রিপল দিয়ে লোগো ঢেকে দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ স্ট্যান্ডের বড় লোগোও নামিয়ে ফিফার নিজস্ব ছাপ দেখাচ্ছে। আসনগুলো লাল রংয়ে ছিল বিএমও নামের, কিন্তু তা সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা হয়েছে। কনসেশন স্ট্যান্ডের ছোট লোগোগুলোও কালো টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
ফিফার নীতি শুধু টরন্টোতে সীমাবদ্ধ নয়। সানফ্রান্সিসকো স্টেডিয়ামে মূল স্পনসর লিভাইসের লোগো সাদা ত্রিপলে ঢেকে ফেলা হয়েছে। ফিফা সেই সুযোগে জিনস ব্র্যান্ডের নাম ছোঁড়ে স্টেডিয়াম ছাড়া করে দিয়েছে। সাধারণ দর্শকদের গ্যালারিতে ছোট আসনগুলো সম্পূর্ণ বদলে ফেলা হয়েছে।
আর্লিংটনের স্টেডিয়ামে বড় স্ক্রিনের ওপর থাকা এটিঅ্যান্ডটি লোগো এবং পেপসির ছোট ছবি সম্পূর্ণ ফিফার ব্যানার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। বোস্টন স্টেডিয়ামে ভলান্টিয়ারদের জন্য কাজটি বেশ বেগুনির মতো। স্টেডিয়ামের ৬৪ হাজার ১৪৬টি আসনের প্রতিটি নম্বরপ্লেটে জিলেটের ছাপ ছিল। এবার তাদের নাম লুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: টরন্টো সান, ক্যাম্প কানাডা
স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা পূর্বে ৩০ হাজারের কিছু বেশি ছিল। বিশ্বকাপে এটি প্রায় ৪৫ হাজার করে বাড়িয়ে ফেলা হয়েছে। ম্যাচে খেলোয়াড়েরা উত্তাপ ছড়াবেন এবং দর্শকরা আরও বেশি মেতে উঠবেন। এই ক্ষেত্রে ফিফার নীতি বিশ্বকাপের এক মজার অভিজ্ঞতা হিসেবে কাজ করছে।
