কমিকস থেকে বাস্তবে জাপানে মায়েদের জন্য ‘নাইটটাইম ক্রাইং ক্যাফে’
কম কস থ ক ব স তব – মাতৃত্ব একটি সম্পূর্ণ দিন ব্যাপী কাজ। দিনের কোনো সময় থাকে না, রাতে কোনো বিরতি নেই। মাঝরাতে নবজাতক কান্না থামতে চায় না এমন ঘটনা অনুভব করে মায়েদের মানসিক অবস্থা কতটা বিপর্যস্ত হতে পারে, তা কেবল অভিজ্ঞ মায়েদের জানা বিষয়। স্থানীয় নীরবতার মধ্যে একা করে শিশুর কান্না শান্ত করা মাতৃত্বের সবচেয়ে বিপর্যস্ত ও ক্লান্তিকর সময়। এই অবস্থা পৃথিবীর সব প্রান্তের মায়েদের জন্য সামান্য কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কষ্ট হয়।
যখন জাপানের মায়েরা এই অবস্থার প্রতিকার খুঁজছিলেন, তখনই তাঁদের জন্য নাইটটাইম ক্রাইং ক্যাফে বা রাতে শিশুর কান্না শান্ত করার জন্য একটি স্থান হিসেবে কমিকসের ধারণা রূপান্তরিত হয়েছে। এই ধারণাটি এক দশক আগে শুধু একজন কার্টুনিস্ট মায়ের মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা হয়। তাঁর কমিকসে একটি কাল্পনিক স্থান ‘ইয়োনাকিগোয়া’ বা ‘নাইট ক্রাইং হাউস’ বর্ণিত হয়েছিল, যা সম্পূর্ণ অদৃশ্য থাকা শিশু সামলানোর জন্য ধারণ করা হয়েছিল।
২০২৩ সালে এই চিন্তা ইন্টারনেটে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর বিশেষ সাড়া ফেলেছিল। কমিকসের লেখিকা নিজেও মনে করতেন না যে তাঁর ধারণা কখনো বাস্তবে রূপ নেবে। কিন্তু জাপানের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য নারী স্বেচ্ছাসেবকের সহযোগিতায় এই ধারণাটি আবার এক স্বপ্ন হিসেবে আসে। হোক্কাইডোর মেমুরো শহরে একটি ফ্রেঞ্চ টোস্ট দোকান রাত বেলা পর্যন্ত খুলে থাকে। এই ক্যাফের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ওয়াকো নো কোয়া’ বা ‘পিতা-মাতা ও শিশুর ঘর’। মাত্র রাত ৯টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত খুলে থাকার কারণে মায়েদের কোনো আপত্তি ছাড়া আগের মায়েদের সাথে বসে সময় কাটানো সম্ভব হয়।
আপাতত এই ক্যাফেগুলো সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে চালু রয়েছে। শিশুদের হামাগুড়ি দেওয়া বা ঘুমানোর জন্য নরম ম্যাট বিছানো থাকে। স্তন্যপান বা ডায়াপার পরিবর্তনের জন্য নির্দিষ্ট স্থানও বিদ্যমান। এই স্থানগুলো মায়েদের শারীরিক ও মানসিক বিশ্রাম প্রদানের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।
আপাতত এই উদ্যোগগ�
