করাচি জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের আফগান সীমান্ত অভিযান চালানো হয়েছে
কর চ ত জঙ গ হ মল – পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তে জঙ্গি হামলার পর করাচি স্থানীয় গুলশান-ই-জোহর এলাকায় পাকিস্তান রেঞ্জার্স ক্যাম্পে জঙ্গি সম্প্রদায়ের কর্মীদের কাছে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এর অন্তত ২৯ জন সদস্য হত্যার দাবি করেছে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী। তকাল রোববার রাতে তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালিয়ে সীমান্তে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করা হয়েছে। এই হামলার পেছনে ভারতের মদদপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আহরারের হাত রয়েছে বলে আইএসপিআর অভিহিত করেছে।
সামরিক পদক্ষেপ ও বিমান হামলা
গত শনিবার রাতে করাচির গুলশান-ই-জোহর এলাকায় পাকিস্তান রেঞ্জার্স ক্যাম্পে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে খাইবার পাখতুনখোয়ার বাজোড় জেলায় আফগান সীমান্ত ঘেঁষে স্থল অভিযান চালিয়ে গুলিবর্ষণের পর সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আতাউল্লাহ তারার বলা হয়েছে যে এই অভিযান ছিল অপারেশন গজব লিল-হক এর অংশ। এতে জামাতুল আহরারের শীর্ষ কমান্ডার খান ফারোশ ও তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। এছাড়া আফগানিস্তানের সীমান্তসংলগ্ন পাকতিয়া, পাকতিকা এবং কুনার প্রদেশে নিখুঁত বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে ২৫ জন জঙ্গি হত্যা হয়েছে।
পাকিস্তান গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে তালেবান প্রশাসনের সম্পর্কে আফগান সীমান্ত থেকে সন্ত্রাসী হামলা কমিয়ে আসার চেষ্টা করছে। আইএসপিআর সূত্রে পাকিস্তান প্রশাসন আফগান মাটি ব্যবহার করে জঙ্গি হামলা চালাচ্ছে বলে অভিহিত করেছে, যার ফলে পাকিস্তানে আত্মসম্প্রদায় নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির জন্য সামরিক অভিযান তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে পাকিস্তান দুই দিনের একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে, যার পর সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের প্রতিকূল পরিস্থিতি দূর করতে চীন মধ্যস্থতা করছে।
তালেবান ও টিটিপি সংগঠনের সম্পর্ক
২০২১ সালে কাবুলে আফগান তালেবানের ক্ষমতা গ্রহণের পর পাকিস্তানে জঙ্গি হামলার হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পর পাকিস্তান অপারেশন গজব লিল-হক চালিয়ে সীমান্তে সরাসরি কাজ করেছে। আতাউল্লাহ তারার আরও জানান যে তালেবান প্রশাসন সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে বলে পাকিস্তান অভিযোগ করছে, যা শান্তি স্থাপনে বাধা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। চীন সৌদি �
