International

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত, কী আছে এতে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত, কী আছে এতে

ইর ন য ক তর ষ ট – প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর এক কূটনীতিক ও মার্কিন কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে টোল ছাড়াই খুলে দেওয়া হবে। ইরান ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি পাবে এবং বিরোধের সমাধানে চলমান প্রক্রিয়া চালু করা হবে।

চুক্তির আলোচনা ও আগামী পদক্ষেত্র

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুসারে, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হবে। খসড়া অনুযায়ী, প্রণালিটি খুলে দেওয়া হবে চুক্তির কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই। এবং ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের সমপরিমাণ জাহাজ চলাচল পুনরুদ্ধার করা হবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার করবে।

প্রস্তাবিত সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী ইরান প্রতিশ্রুতি দেবে যে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করবে না। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো পদক্ষেত্র বাস্তবায়ন হবে কেবল দ্বিতীয় চুক্তি পূর্ণ হওয়ার পর। বিশ্লেষকদের মতে, এটি অর্জন করা সহজ হবে না।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ইরানের উচ্চপর্যায়ে চুক্তিটি অনুমোদন পেয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এখনো এতে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, তেহরান এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান চুক্তির পাঠ্য নিয়ে একমত হয়েছে বলে জানা গেছে। আলোচনায় কাতারের মধ্যস্থতাকারী আলী আল-থাওয়াদি এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বুধবার রাতে দীর্ঘ আলোচনার পর প্রাথমিক সমঝোতা অর্জিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে কাতারে আটকে থাকা ইরানের কিছু অর্থ মানবিক পণ্য কেনার জন্য আলোচনা করেছে বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য ট্রাম্পের ঘোষণাটি অপ্রত্যাশিত ছিল। মার্কিন সূত্র অনুযায়ী, নেতানিয়াহু ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আলোচনার অগ্রগতি জানার চেষ্টা করছিলেন।

গত দুই

Leave a Comment