সৌদি ও পাকিস্তানের জাতীয় নীতি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা স্পষ্ট প্রয়োজন হবে
ফ ল স ত ন র ষ – ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথ আরও দূরে সরে গেছে। গত বছরের নভেম্বরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন প্রকাশ করেছিল যে সৌদি আরব ও পাকিস্তান ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের স্পষ্ট ও অপরিবর্তনযোগ্য প্রক্রিয়া অপেক্ষা করছে। রিয়াদের প্রতিপন্ধিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলো তাদের আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার প্রধান শর্ত। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ নিজের প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তাদের একটি সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন না হলে তারা ইসরায়েলের সম্পর্ক স্থাপন করবেন না।
ফিলিস্তিন রাষ্ট্র না হলে সম্পর্ক স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা
ট্রাম্পের পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী ঘোষণার পর ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্য দেশগুলির মধ্যে নতুন চুক্তির আশা বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে রিয়াদ বলেছে যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন না হলে সম্পর্ক স্থাপনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অক্ষম হবে। সৌদি আরব তাদের সম্পর্ক পুনর্গঠন করার জন্য ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে বলে মনে করেছেন পাকিস্তানের আবেদনে কূটনীতি বিশেষজ্ঞরা। ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া তাদের পক্ষে সম্পর্ক পুনর্গঠন একটি কঠিন ব্যাপার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
“ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন সম্ভব নয়। আমরা স্পষ্ট ভাবে মনে করি যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলো একটি অপরিবর্তনযোগ্য শর্ত,” বলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।
সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য কূটনৈতিক চাপ
সৌদি আরব ও পাকিস্তানের বৈঠকে এটি স্পষ্ট করে দেখা গেছে যে তারা এখনও ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইছেন। তবে তাদের দাবি হলো যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হতে হবে তবে তারা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করবেন না। এ সিদ্ধান্ত হলো মধ্যপ্রাচ্য দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ছাড়া ইসরায়েল ও সৌদি আরবের সম্পর্ক ছাড়া ইতিহাসে একটি পরিবর্তন ঘটবে কিনা তা নির্ভর করছে জাতীয় কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের উপর। পাকিস্তান বলেছেন যে তারা এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি সমর্থন দিচ্ছেন এবং এটি পূর্ববর্তী সংঘাত বিষয়ে তাদের সাথে জড়িত ছিল। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের এ নীতি বিশ্ব জাতীয় ম
