যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের প্রত্যাখ্যান—যুদ্ধবিরতি চুক্তি আজ আদৌ হবে কি
সমঝোতা সম্পর্কে আশাবাদ বৃদ্ধি
য ক তর ষ ট র র – যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তানের প্রধানদের প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচিত একটি কাঠামোগত শান্তিচুক্তি আজ স্বাক্ষর হতে পারে। তবে ইরান এখনো সম্ভাব্য স্বাক্ষরের সময় নিশ্চিত করেনি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে আরও বলেন যে সংঘাত বন্ধ করে বহুদিন ধরে আলোচিত চুক্তি তাঁর ৮০তম জন্মদিনে, অর্থাৎ পরদিন স্বাক্ষর হতে পারে।
ইরানি বিরোধিতা ও সমাবেশ
ইরানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চুক্তি বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের এক অংশ স্লোগান দেয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে লক্ষ্য করে, “আরাঘচি, একটু লজ্জা করো, আমেরিকাকে ছেড়ে দাও।” তবে বিশেষজ্ঞদের মতে যুদ্ধের পর ইরানের কট্টরপন্থী বিপ্লবী গার্ডদের প্রভাব আরও দৃঢ় হয়েছে।
“এটি আগামীকাল হবে না,” বলেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই, “তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হতে পারে।”
যুদ্ধ ও সামরিক ক্ষতি
গত দুই দিনে সংঘর্ষ বন্ধ হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালি থেকে ইরানের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। শনিবার ভোরে ইরানের বিভিন্ন এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণাত্মক ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইসরায়েলের ভূমিকা
ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির অংশ নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় তারা লেবাননে ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ৭০টির বেশি স্থানে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের মধ্যে লেবাননে সামরিক পদক্ষেপ সীমিত করার মার্কিন চাপ ঘটেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল বিদেশী কর্মকর্তা বলেন, “ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে, এটি একটি শর্ত। প্রয়োজনে কোনো টোল ছাড়াই এটি চালু হতে পারে।”
