International

না পাঠানোর ঘোষণা দিয়েও পোল্যান্ডে আরও ৫ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন সেনা পোল্যান্ডে আরও ৫ হাজার পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ন প ঠ ন র ঘ ষণ – গত বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যারল নাভরোৎস্কির সমর্থন পেয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি আগে পোল্যান্ডে প্রতিরক্ষা দপ্তরের ঘোষণা করা হয়েছিল চার হাজার সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে বিবিসির প্রতিবেদন থেকে।

ট্রাম্পের নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি জানান, পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট নাভরোৎস্কির সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত সেনারা এটি আগের পরিকল্পনার অংশ কি না, নাকি সম্পূর্ণ নতুন অভিযান, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

পোল্যান্ডে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েও আমি এটি আগের স্থগিত করা পরিকল্পনার অংশ কি না, নাকি সম্পূর্ণ নতুন সামরিক অভিযান, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হোয়াইট হাউস ইঙ্গিত দিয়েছিল, তাদের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অংশ হিসেবে ইউরোপে সেনা উপস্থিতি কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত বিরোধের পর এই ঘোষণা আসে। জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহার করার ঘোষণা করা হয় চলতি মাসের শুরুতে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের ঘোষণার আগে এক সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ঘোষণা করেছিল পোল্যান্ডে ৪ হাজার সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল হবে। পরে পিট হেগসেথ বলেন, এটি সাময়িক বিলম্ব মাত্র। তিনি আরও জানান, পোল্যান্ডে সেনা উপস্থিতি আগের মতো কমানো হবে না।

নাভরোৎস্কি ইউরোপের নিরাপত্তার প্রধান গ্যারান্টর হিসেবে পরিচিত

নাভরোৎস্কি তার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই ট্রাম্পের সমর্থন পেয়েছিলেন। তিনি গত জানুয়ারিতে বিবিসির রেডিও–৪ টুডে অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পই একমাত্র বিশ্বনেতা যিনি ভ্লাদিমির পুতিনকে থামাতে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সক্ষম।

ট্রাম্প অতীতে নানা সমালোচনা করেছিলেন ন্যাটো জোট ও ইউরোপীয় নেতাদের কাছে। কিন্তু নাভরোৎস্কি জোর দিয়ে বলেন, ইউরোপের নিরাপত্তার প্রধান গ্যারান্টর এখনো যুক্তরাষ্ট্রই।

সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনায় কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাও সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মতে, এটি রাশিয়ার কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। বর্তমানে জার্মানিতে সেনা উপস্থিতি ইউরোপে সবচেয়ে বড়। সেখানে ৩৬ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা রয়েছে। তুলনায় ইতালিতে রয়েছে প্রায় ১২ হাজার এবং যুক্তরাজ্যে আরও ১০ হাজার।

Leave a Comment