International

জেন জি অলস, এদের ইরান পাঠিয়ে দেওয়া উচিত: হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি

জেন জি অলস, এদের ইরান পাঠিয়ে দেওয়া উচিত: হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি

জ ন জ অলস এদ র ইর – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট নিজের প্রজন্ম বা ‘জেনারেশন জেড’ (জেন জি)-কে ‘অলস তরুণ’ এবং ‘লিবারেল আদর্শে দীক্ষিত’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি এই বিষয়ে মত প্রকাশ করেন ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণের সময়।

এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। বিশ্লেষক ও সাধারণ ব্যবহারকারীদের মন্তব্য অনুযায়ী, লেভিটের বক্তব্য তরুণদের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের একটি চরম বাস্তবতাকে অস্বীকার করার প্রতিফলন।

যখন আপনার কোনো প্রকৃত চাকরি থাকে না, তখন সবকিছুই আপনার কাছে ব্যয়বহুল মনে হবে। আপনি কি মনে করেন এই অভিযোগগুলো (অর্থনীতি নিয়ে) তরুণদের মাঝে প্রভাব ফেলছে?

ফক্স নিউজের উপস্থাপক জেসি ওয়াটার্সের সাথে আলাপের সময় লেভিট উত্তর দিয়ে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত আমি মনে করি এটি প্রভাব ফেলছে। কারণ এই প্রজন্ম—আমার নিজের প্রজন্ম—জেন জি এবং আমার চেয়ে যারা কম বয়সী, তারা মুখে সোনার চামচ নিয়ে বড় হয়েছে। তারা সবকিছু হাতের মুঠোয় পেয়ে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।’

লেভিট যুবদের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রতি বিশেষ বিবেচনা করে মন্তব্য করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমন মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি। তিনি বলেন, ‘আমেরিকা গড়ে উঠেছে মেধাভিত্তিক সমাজ, কঠোর পরিশ্রম এবং নিজের প্রচেষ্টায় নিজের ভাগ্য গড়ে তোলার মার্কিন স্বপ্নের ওপর। আমাদের যেকোনো মূল্যেই হোক এই ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে হবে।’

আলোচনার এক পর্যায়ে উপস্থাপক ওয়াটার্স জানতে চান, যুবদের এই মনোভাবের পেছনে শিক্ষকদের কোনো ভূমিকা আছে কি না। লেভিট তাঁর সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদারপন্থী অধ্যাপক এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দায়ী করা হয়। তিনি সেই সব অভিভাবকদের প্রশংসা করেন যারা সন্তানদের সাধারণ স্কুলের বদলে ঘরে বসে শিক্ষা (হোমস্কুলিং) অথবা খ্রিষ্টান ধর্মীয় স্কুলে পাঠাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, এই অভিভাবকেরা চান না যে তাঁদের সন্তানরা স্কুলগুলোতে কমিউনিস্ট ও চরম উদারপন্থী ধ্যানধারণার সংস্পর্শে আসুক।

ওয়াটার্স রসিকতা করে বলেন, ‘অবাধ্য তরুণদের বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা উচিত।’ তার জবাবে লেভিট বলেন, ‘তাদের কিউবা বা ইরানে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। তাহলে তারা খুব দ্রুতই নিজ দেশে ফিরে আসতে চাইবে।’

বিশেষজ্ঞদের ম

Leave a Comment