ইরানের বিমান হামলার দাবি জর্ডান ও সিরিয়াতে ঘটেছে
জর ড ন ম র ক ন – জর্ডান ও সিরিয়াতে মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের দ্বারা করা হয়েছে, যেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাতভর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে যে জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান ও যুদ্ধবিমানের কিছু পরিমাণে ক্ষতি হয়েছে। ইরান ঘোষণা করেছে যে তারা সিরিয়ার আল-তানফ ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন যুদ্ধ কমান্ড সেন্টার অবস্থিত। এ ঘটনার খবর সূত্র হতে পাওয়া গেছে যে হামলায় কোনো হতাহত বা বস্তুগত ক্ষতি হয়নি, তবে ক্ষেপণাস্ত্রের সংঘর্ষে অনেকগুলি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইরান আক্রমণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্থিতি
আইআরজিসি ঘোষণা করেছে যে এই হামলাটি জর্ডান ও সিরিয়াতে মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী ফেব্রুয়ারিতে ঘোষণা করেছিল যে তারা সিরিয়া ও জর্ডানের সীমান্তে অবস্থিত আল-তানফ ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে, যেটি সংঘর্ষের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে প্রসিদ্ধ। যদিও রয়টার্স এবং এএফপি প্রতিবেদনগুলি থেকে প্রমাণ পাওয়া যায়নি, কিন্তু জর্ডান ও সিরিয়াতে হামলার আকার এবং প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিভিন্ন সূত্র একমত হয়েছে। হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু কোনো সামগ্রিক ক্ষতির খবর প্রকাশ করা হয়নি।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা মার্চ মাসে লন্ডনে চ্যাথাম হাউস থিংক ট্যাংকের এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘কোনো পক্ষ যদি সিরিয়াকে লক্ষ্যবস্তু না করে, তাহলে সিরিয়া যেকোনো সংঘাতের বাইরে থাকবে।’ এই স্পষ্ট ঘোষণা হতে পারে যে সিরিয়া জর্ডান ও সিরিয়াতে মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্বাক্ষর করেছে। সামরিক সূত্র থেকে জানা গেছে যে আইআরজিসি ইরান ও তার সহযোগী দলগুলি এই ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেটি এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কর্তৃক যথেষ্ট গুরুত্ব প্রদান করেছে।
হামলার প্রভাব এবং সংঘটনা সমীক্ষা
এই হামলাটি জর্ডা�
