গাজায় ইসরায়েলি পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা সিনওয়ারের নথি প্রকাশ
গ জ য় ইসর য় ল প – সোমবার গত দিনে ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বিশ্লেষণী নথিটি সার্বিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এই নথি ইসরায়েলের মেইর আমিত ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড টেররিজম ইনফরমেশন সেন্টার (আইটিআইসি) দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছিল। আইটিআইসি গত বছরের অক্টোবর বা তার আগে সিনওয়ারের লেখা একই ধরনের সংবাদ প্রকাশ করেছিল।
২০২২ সালের ২৪ আগস্ট সিনওয়ার নিজের হাতে লেখা নথিতে ইসরায়েলের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছিল। তিনি লেখেন, হামলার আকস্মিকতার সুবিধা কাজে লাগানোর সুযোগ থাকবে ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা। এই সময়ের মধ্যেই ইসরায়েলি পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছিল।
প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার ধারণা
সিনওয়ারের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যে ইসরায়েল শক্তিশালী জবাব দেবে। তিনি সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি যে দেশটি পারমাণবিক বোমা ব্যবহার করতে পারে। নথিতে লেখা হয়েছিল, ‘প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা—শত্রুপক্ষ তাদের হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ও অস্ত্র ব্যবহার করতে দ্বিধা করবে না, শুধু সরাসরি হামলার মাধ্যমে নয়, অন্যান্য উপায়েও। তারা এমনকি একটি পারমাণবিক বোমাও ব্যবহার করতে পারে। তবে প্রথমে তারা হামলায় বিস্মিত হবে এবং বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে যাবে। অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে গ্রামগুলোতে ফিরে গিয়ে প্রতীকীভাবে সেগুলো পুনর্দখলের লক্ষ্যে একটি গণঅভিযান সংগঠিত করতে হবে। এই অভিযান হবে জীবন-মৃত্যুর লড়াই এবং আল্লাহর সাহায্যে জীবনই বিজয়ী হবে।’
“প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা—শত্রুপক্ষ তাদের হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ও অস্ত্র ব্যবহার করতে দ্বিধা করবে না, শুধু সরাসরি হামলার মাধ্যমে নয়, অন্যান্য উপায়েও। তারা এমনকি একটি পারমাণবিক বোমাও ব্যবহার করতে পারে। তবে প্রথমে তারা হামলায় বিস্মিত হবে এবং বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে যাবে। অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে গ্রামগুলোতে ফিরে গিয়ে প্রতীকীভাবে সেগুলো পুনর্দখলের লক্ষ্যে একটি গণঅভিযান সংগঠিত করতে হবে। এই অভিযান হবে জীবন-মৃত্যুর লড়াই এবং আল্লাহর সাহায্যে জীবনই বিজয়ী হবে।”
নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে হামাস সর্বোচ্চ ১০ হাজার যোদ্ধা নিয়ে গাজা উপত্যকার প্রায় ২০০ টির বেশি ইসরায়েলি বসতি ও আইডিএফের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। পরবর্তী সংস্করণে এবং বাস্তবে দ্বিতীয় দফায় একই সংখ্যক আরেকটি দল এবং তৃতীয় দফায় বি�
