International

আলবেনিয়ার দ্বীপে বিলাসবহুল রিসোর্ট তৈরির স্বপ্ন ট্রাম্পকন্যা ইভাঙ্কার, কী আছে সেখানে

আলবেনিয়ার এক দ্বীপে রিসোর্ট নির্মাণের স্বপ্ন ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কার

আলব ন য় র দ ব প – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্প সম্প্রতি এক পডকাস্টারের সাথে আলাপ করতে গিয়ে আলবেনিয়ার দ্বীপ সাজানের কথা তুলে ধরেন। পরিচিত বন্ধু থেকে সাঁতরে ওঠা দ্বীপটি সম্পর্কে তাঁর বর্ণনার মাধ্যমে সেই সুন্দর অঞ্চলের মনোমুগ্ধকর চিত্র ফুটে উঠেছে।

সাজান দ্বীপের সামাজিক ও প্রকৃতিবান্ধব পরিবেশ

তবে ইভাঙ্কার উল্লেখে দেখা যায় যে দ্বীপটি সেনাদের পোষা একটি কালো কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ ছাড়া অন্য কোনো শব্দ নেই। ভলোর শহরে আসা পর্যটকদের হাঁসফাঁস সুরে দ্বীপে আর শোনা যায়। একের পর এক কোলাহলপূর্ণ রেস্তোরাঁ ও হোটেলের গড়নে মধ্যে সাজান যেন এক নির্জন আশ্রয়।

“আমরা মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম সাজানের সৌন্দর্যে। অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের জল ছাড়া দ্বীপে আর যে শব্দ শোনা যায়, তা হলো ভলোর থেকে আসা পর্যটকদের কোলাহল।”

সাজান দ্বীপ আলবেনিয়া সরকারের মালিকানাধীন। বুনো বোগেনভিলিয়া ফুল ও পাইন বনের সুবাসে দ্বীপটি জেগে থাকে। তবে এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে পাথুরে সৈকত ও কাঁটাঝোপে ভরা পরিবেশ দেখা যায়। পাহাড়ে ওঠার সময় জুতো না পরে হাঁটা কঠিন। মরিচাধরা যন্ত্রপাতি এবং ধাতব সরঞ্জামের ভার উপকূলে পড়ে আছে।

তাঁবু ছাড়া পথচলা ও সুরক্ষা সংক্রান্ত চিন্তা

সাজান এখনও জনমানবশূন্য। বন্দরসংলগ্ন ব্যারাকে অবস্থান করছে ডজনখানেক আলবেনীয় সেনাসদস্য। প্রকৃতিবান্ধব পরিবেশের পাশাপাশি বিষধর সাপের উপদ্রব রয়েছে। দ্বীপে আবিষ্কার করা হয়েছে গাছে গাছে ঝোলানো ল্যান্ডমাইনের সতর্কবার্তা।

তাঁদের বর্ণনার অনুযায়ী দ্বীপটি কোনো সুপেয় পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়া পরিচিত। এমনকি সুপেয় পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। সামরিক ঘাঁটি হিসেবে কাজ করা দ্বীপটি এখনও কাঁটাঝোপে ভরা।

গোপন প্রমাণ ও জনতার মধ্যে নানা আলোচনা

১৯৫৯ সালে সিআইএ-র আলোকচিত্র গোয়েন্দা শাখা সাজানে কোনো সাবমেরিন ঘাঁটির প্রমাণ খুঁজে পায়নি। সিআইএ-র প্রাথমিক প্রতিবেদনে দাবি ছিল যে সাজান হয়ে উঠেছে আধুনিক সোভিয়েত বন্দর নির্মাণের সর্বাধুনিক উদাহরণ। কিন্তু পরে গোপন নথিটি প্রকাশ করা হয়।

২০১৫ সালে ফরাসি সংস্থা কনজারভাতোয়ার দ্যু লিতোরাল দ্বীপটি নিয়ে জরিপ পরিচালনা করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী সাজান একটি সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়। এখানে দেখা যায় অ্যাসবেস্টস ও বিষাক্ত রাসায়নিকভর্তি ড্রাম। অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ সাজানজুড়ে ছড়িয়ে আছে।

সাজান দ্বীপের সাথে সম্পর্কে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে নানা মুখরোচক তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়েছে। আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত

Leave a Comment