হাম প্রাদুর্ভাব: সরকারের বিশেষ টিকাদান কার্যকরিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে
হ ম র প র দ র – দেশে হাম বিস্তার হওয়ার পর সরকার এমআর (মিজেলস-রুবেলা) টিকাদান কর্মসূচি প্রারম্ভ করে। দেড় মাস ব্যাপী বিশেষ পরিচালিত এই কার্যক্রমের শেষ দফা প্রয়োগের দুই মাস পেরিয়ে গেছে। তবে প্রাদুর্ভাব কমেনি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে কর্মসূচির কার্যকর আওতা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।
টিকাদান ক্রমাগত সংক্রমণের আকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি
১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া টিকাদান ক্যাম্পেইনের সময়সূচি অনুযায়ী প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ বিশেষ জেলাগুলোতে টিকা প্রয়োগ হয়। পরে চারটি সিটি করপোরেশন এবং সারা দেশে সংক্রমণের সম্ভাব্য শিশুদের বিপর্যয় পরিচালনার জন্য প্রসারণ ঘটে।
২০ মে পর্যন্ত কর্মসূচি চালু ছিল। শেষ দিনে টিকা পেয়েছে কয়েক লাখ শিশু। কিন্তু এই সংখ্যা সঠিক কিনা তা বিশেষজ্ঞদের সন্দেহ ছাড়া নয়। তারা দাবি করেন, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়া প্রায় ১০৩ শতাংশ শিশু টিকা পেয়েছে। কিন্তু সংক্রমণ কমেনি।
“আগে প্রতিদিন হাম উপসর্গে রোগী হাজারের বেশি ছিল, বর্তমানে তা ৬০০ থেকে ৮০০-এর মধ্যে নেমে এসেছে।”
তথ্য অনুযায়ী এ কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্বে এক দিনে হাম সংক্রমণে নতুন শিশু বেড়েছে ৯৩৮ জন। উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ জন। টিকাদান কর্মসূচি শেষ হওয়ার প্রায় দুই মাস পর কেন সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে তা বিশেষজ্ঞদের মতে কার্যকর টিকাবঞ্চিত শিশুদের অনুসন্ধানে ঘাটতি ছিল।
টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা চলছে
তারা দাবি করেন, কমপক্ষে ৯৫ শতাংশ জনগোষ্ঠীর মধ্যে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হওয়া প্রয়োজন। অথচ শিশুদের শরীরে কতটা প্রতিরোধ বিকসিত হয়েছে তা মূল্যায়নে গবেষণা চলছে। এই গবেষণার প্রাথমিক পর্বে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে বেশি আক্রান্ত উপজেলাগুলো থেকে নমুনা সংগ্রহে।
“শুধু টিকা দিলেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত শনাক্ত করা, আইসোলেশন নিশ্চিত করা এবং সমন্বিত জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা কার্যকর করতে হয়।”
আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. কাজী আহম্মেদ জাকী বলেন, টিকার প্রতিরোধক্ষমতা মূল্যায়নে পদ্ধতিগত গবেষণা চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে প্রাথমিক সময়ে নমুনা সংগ্রহ বিপর্যয় ঘটেছে। নিবিড় অনুসন্ধান ছাড়া আক্রান্ত শিশু অনুসন্ধানে ঘাটতি ছিল।
গত কয়েক দিনে নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৪ জন। উপসর্গযুক্ত নতুন রোগী সংখ্যা কমছে বলে দাবি করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। কিন্তু �
