Health

প্রিয় দলকে সমর্থন মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে

প্রিয় দলকে সমর্থন মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে

ফ্যানস হ্যাভ মোর ফ্রেন্ডস বইয়ের তথ্য অনুযায়ী

প র য় দলক সমর থন ম – খেলাধুলা বা বিনোদনের কোনো মাধ্যমের ভক্ত হওয়া শুধু সময় কাটানোর জন্য নয়, এটি মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশে থাকে। এই যোগাযোগের মাধ্যমে মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধি এবং একাকিত্ব দূর করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি সুবিধা হলো যখন কোনো দল বা বিষয়ে ভক্ত হয়ে থাকি, তখন আমরা নিজের চেয়ে বড় কিছুর অংশ হই। এটি আমাদের অস্তিত্বের গুরুত্ব জানায় এবং মন সতেজ রাখে। গবেষণার সাথে প্রমাণ আছে যে একাকী বোধ করেন না কেউ ভক্তদলের সাথে যুক্ত থাকে।

ফ্যানস হ্যাভ মোর ফ্রেন্ডস বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, যারা কোনো দল বা বিষয়ের উপর নির্ভর করে বিশ্বাস করেন তারা সাধারণ মানুষের তুলনায় কম একাকী।

সামাজিক সংযোগ ও বিষণ্নতার প্রভাব

মানুষ খেলাধুলা বা বিনোদনমাধ্যমের মাধ্যমে আড্ডা দিতে পারে, বার্তা পাঠাতে পারে বা খোঁজ নিতে পারে। এটি ইতিবাচক চক্রের মতো কাজ করে যেখানে একটি কাজ করে আরেকটি কাজের জন্য সহায়তা করে। বিভিন্ন কার্যকলাপে অংশ নিলে সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়, যা আবার নতুন করে ভক্তিমূলক আচরণ তৈরি করে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৬১ শতাংশ মানুষ একাকিত্বে ভুগলেও গবেষণায় দেখা গেছে যে কোনো ফ্যান কমিউনিটি বা ভক্তদলের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা অন্যদের চেয়ে বেশি সামাজিক যোগাযোগে জড়িত।

অন্যান্য মানসিক সুফল

ক্রীড়াভক্তদের পারিবারিক সম্পর্ক দৃঢ় হয়। তাদের ক্যারিয়ার ও সম্পর্কে সন্তুষ্টি বেশি থাকে। এছাড়া তাদের মধ্যে সুখ, কৃতজ্ঞতা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা দেখা যায়।

খেলাধুলা বনাম অন্যান্য মাধ্যমের ভক্ত

ফুটবল বিশ্বকাপ, সুপার বোল বা ক্রিকেটের মতো খেলাধুলার পাশাপাশি কমিকস, ভিডিও গেমস বা কসপ্লের ভক্তদের মধ্যেও একাত্মতা বোধ করে। তবে ক্রীড়াঙ্গনের ভক্তদের সমাজ বেশি সহজে গ্রহণ করে। রাস্তায় প্রিয় দলের জার্সি পরে ঘুরে বেড়ানো বা সামাজিক অনুষ্ঠান বর্জন করা স্বাভাবিক বলে মনে হয় বলে কথিত হয়।

সায়েন্সফিকশন বা অন্য বিষয়ে ভক্তদের ক্ষেত্রে তা অনেক সময় ভিন্ন চোখে দেখা হয়।

সূত্র: হেলথ লাইন

Leave a Comment