‘ম্যাড কাউ’-এর মতো প্রাণঘাতী রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের
Table of Contents
বিজ্ঞানীদের সতর্কতা: ‘ম্যাড কাউ’-এর মতো প্রাণঘাতী রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে
Banglajibon.com – ম য ড ক উ এর মত – যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে হরিণজাতীয় প্রাণীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া একটি সংক্রামক ও প্রাণঘাতী স্নায়বিক রোগের নাম ‘ক্রনিক ওয়েস্টিং ডিজিজ’ বা CWD। এই রোগটি অস্বাভাবিক প্রোটিন বা ‘প্রিওন’-এর কারণে সৃষ্টি হয়। আক্রান্ত প্রাণীর আচরণে পরিবর্তন আসে, চলাফেরার সমন্বয় নষ্ট হয় এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যু ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭টি অঙ্গরাজ্যে ইতিমধ্যে এই রোগটি শনাক্ত হয়েছে। গবেষকদের পূর্বাভাস, ২০৩০ সালের মধ্যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮টি কন্টিনিউয়াস অঙ্গরাজ্য, কানাডার সব প্রদেশ এবং মেক্সিকোতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বিজ্ঞানীরা একটি নতুন ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। তবে গবেষকেরা একই সঙ্গে জানিয়েছেন, আশঙ্কাটি এখনো পুরোপুরি তাত্ত্বিক। কারণ ভ্যাম্পায়ার বাদুড়ের মাধ্যমে এই ক্রনিক ওয়েস্টিং ডিজিজ (CWD) গবাদিপশুতে ছড়ানোর কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
বাদুড়ের মাধ্যমে সংক্রমণের সম্ভাব্য চেইন
মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক পিটার লারসেনের আশঙ্কা, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার রক্তখেকো ভ্যাম্পায়ার বাদুড় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উত্তরে বিস্তৃত হলে তারা CWD-আক্রান্ত হরিণের সংস্পর্শে আসতে পারে। একটি বাদুড় আক্রান্ত হরিণের রক্ত পান করার সময় প্রিওন গ্রহণ করলে পরবর্তী সময়ে গরুকে কামড়ানোর মাধ্যমে সেই অস্বাভাবিক প্রোটিন ছড়িয়ে দিতে পারে—এমন একটি সম্ভাব্য চেইনে গবেষকেরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
তাত্ত্বিকভাবে বারবার বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে সংক্রমণ ঘটলে প্রিওন নতুন প্রজাতিতে অভিযোজিত হতে পারে। গরু আক্রান্ত হলে দূষিত মাংস খাওয়ার মাধ্যমে মানুষের মধ্যেও প্রাণঘাতী প্রিওন রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বিপরীত মতামত
১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে ‘ম্যাড কাউ’ রোগের সময় এমন ঘটনাই বিশ্বকে আতঙ্কিত করেছিল। আক্রান্ত গরুর মাংস খেয়ে মানুষের মধ্যে ভ্যারিয়েন্ট ক্রুৎসফেল্ড-ইয়াকব রোগ (vCJD) দেখা দেয়। ওই প্রাদুর্ভাবে ১৭৮ জনের মৃত্যু হয়, যাদের অধিকাংশই যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা।
তবে অন্যান্য প্রাণীস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা লারসেনের আশঙ্কাকে অত্যন্ত অনুমাননির্ভর বলে মনে করছেন। সাবেক মন্টানা স্টেট ভেটেরিনারিয়ান মার্টিন জালুস্কি বলেন, প্রিওন রোগ সাধারণত নির্দিষ্ট প্রজাতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং বাদুড়ের মাধ্যমে CWD গরুতে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। আক্রান্ত হরিণের মূত্র, মল ও মৃতদেহের সংস্পর্শে গরু এলেও এখন পর্যন্ত গবাদিপশুতে CWD সংক্রমণের কোনো প্রমাণ মেলেনি। মানুষের CWD-আক্রান্ত হরিণের মাংস খেয়ে প্রিওন রোগে আক্রান্ত হওয়ারও কোনো নথিভুক্ত ঘটনা নেই।
তবু লারসেন মাংস খাওয়ার আগে CWD পরীক্ষা এবং মেক্সিকোসহ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, সম্ভাব্য ঝুঁকি এখনই পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ম য ড ক উ এর মত?
ম য ড ক উ এর মত is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ম য ড ক উ এর মত matter?
ম য ড ক উ এর মত matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
