Health

মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে আবার ঘুমাবেন যেভাবে

মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে আবার ঘুমাবেন যেভাবে

ম ঝর ত ঘ ম ভ ঙ – অনেকে মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যান যা আসল বিপত্তি তৈরি করে। তখন ঘুম আসতে চায় না। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই অবস্থাকে ‘স্লিপ মেইনটেন্যান্স ইনসোমনিয়া’ বলা হয়।

বাইরের শব্দ দূর করা

যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে, দরজা ও জানালা সুনির্দিষ্টভাবে বন্ধ করুন। ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করতে পারেন। শব্দ আড়াল করতে ফ্যান ছেড়ে দিলে বা হোয়াইট নয়েজ শোনার মাধ্যমে কাজ করুন। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে হোয়াইট নয়েজ ঘুম উন্নয়নে সাহায্য করে।

বিছানা ছেড়ে উঠে যাওয়া

বিছানায় শোয়ার পর ১৫ মিনিটের মধ্যে ঘুম আসে না কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর জোর করে শুয়ে থাকার পরিবর্তে অন্য ঘরে যান। মন শান্ত করার জন্য হালকা কাজ করুন। এ করলে মস্তিষ্ক রিলাক্স হবে এবং পুনরায় বিছানায় ফিরে ঘুম আসবে।

ঘড়ি দেখার বিরতি

ঘড়ির সময় দেখলে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়তে পারে। অনিদ্রার কারণে উদ্বেগ দ্বিতীয় ধাপে পৌঁছে যায়। মাঝেমধ্যে ঘুম ভেঙে যাওয়া যদি নিয়মিত প্যাটার্নে পরিণত হয়, তাহলে চিকিৎসকের শরণ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

স্ক্রিন বন্ধ রাখা

মোবাইল, ল্যাপটপ বা ট্যাবে ব্লু লাইট নির্গমন করে। এই আলো মেলাটোনিন হরমোনের প্রস্তুতি বাধা দেয়। যাঁদের অনিদ্রা চলছে, তাঁদের ফোনের নোটিফিকেশন মিউট করুন এবং স্ক্রিন দূরে রাখুন।

ফুল বডি স্ক্যান ও পেশি শিথিলকরণ

শরীর শান্ত করতে চোখ বন্ধ করুন এবং ধীর শ্বাস নিন। প্রথমে মুখের পেশিগুলো শিথিল করার জন্য মন দিন। পরবর্তীতে ঘাড়, কাঁধ এবং পায়ে পর্যন্ত সব অংশের পেশি শিথিল করুন। এটিকে ফুল বডি স্ক্যান বলা হয়।

আলো বন্ধ রাখা

বিছানা ছেড়ে অন্য ঘরে চলে যাওয়ার পর ও ঘরের আলো জ্বালাবেন না। ফোনের স্ক্রিনের মতো কৃত্রিম আলো মেলাটোনিন হরমোনের প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত করে। মৃদু আলো বজায় রাখুন যাতে মস্তিষ্ক জাগিয়ে তুলে না পড়ে।

একঘেয়েমি ও বিরক্তিকর চিন্তা দূর করা

যদি একঘেয়েমি অথবা বিরক্তি মনকে ব্যস্ত রাখে, তাহলে ঘুম দ্রুত আসতে পারে। প্রাচীন ভেড়া গোনার পদ্ধতি ব্যবহার করুন বা কোনো জটিল চিন্তা �

Leave a Comment