Health

ব্যক্তির চিকিৎসা ব্যয় কমাতে কার্যকর বিনিয়োগের তাগিদ

ব্যক্তির চিকিৎসা ব্যয় কমাতে কার্যকর বিনিয়োগের তাগিদ

ব যক ত র চ ক ৎস – স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ, চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য সাংবাদিকদের মতে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল জনগণের চিকিৎসা খরচ কমানো, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাজেটের কার্যকর বাস্তবায়ন।

রাজধানীর বাংলামোটরে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) আয়োজিত ‘স্বাস্থ্য বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব বিষয়ে মত প্রকাশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক মূল প্রবন্ধ প্রদান করেন। তিনি বলেন, ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ৬৯,৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা জিডিপির ১.১ শতাংশ এবং জাতীয় বাজেটের ৭.৪ শতাংশ। গত দশ বছরে এটি সর্বোচ্চ বরাদ্দ।’

তিনি আরও জানান, ‘চিকিৎসা সেবার খরচের ৭৯ শতাংশ জনগণ নিজ পকেট থেকে বহন করে, যা অনেক পরিবারকে আর্থিক সংকটে ফেলে।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের বাজেটে হৃদরোগের স্টেন্ট, চোখের লেন্স, কিডনি ডায়ালাইসিসের যন্ত্রপাতি এবং ক্যানসারের ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ওপর কর ছাড়ের উদ্যোগ চিকিৎসা খরচ কমাতে সহায়ক হবে। সাথে সাথে ৫,০০০ চিকিৎসক ও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ই-হেলথ কার্ড চালু এবং নার্সিং শিক্ষা বিস্তারের পরিকল্পনা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে দৃঢ় করবে বলে দাবি করা হয়।

তবে অতীতে বাজেট বাস্তবায়নে দুর্বলতার নিশানা রয়েছে। উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২৩,৫২২ কোটি টাকা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে খরচ হিসেবে রাখা হয়েছে। ফলে বরাদ্দের কার্যকর বাস্তবায়নই বর্তমান সময়ে বড় প্রশ্ন।’

অনলাইনে যুক্ত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আবদুল হামিদ বলেন, ‘দুর্নীতি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কাটিয়ে উঠতে না পারলে বড় বরাদ্দের সুফল পাওয়া যাবে না।’

তিনি হাসপাতাল পরিচালনার ক্ষমতা বৃদ্ধি �

Leave a Comment