ফার্মেসিতেই মান হারাচ্ছে ওষুধ
ফার্মেসি ব্যবস্থার দুর্দশ
ফ র ম স ত ই ম – দেশের বিভিন্ন স্থানে কোনও ওষুধের গুণগত মান ধ্বংস হচ্ছে ফার্মেসি কর্মীদের অনুপালন করা হয় না। গরম থেকে বাঁচতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকার পরিবর্তে অনেক ফার্মেসি ওষুধ সঠিক তাপমাত্রায় রাখে না। কারণের খুঁজে পেলে আজকের পত্রিকা সাধারণ মানুষের পর্যবেক্ষণ করেছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়া বেশির ভাগ ফার্মেসিতে।
জীবন রক্ষাকারী ওষুধের অবস্থা
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট নিবন্ধিত ফার্মেসি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৫২১টি। তবে অধিদপ্তরের হিসাবে জানা গেছে এগুলোর মধ্যে অনেকটি ওষুধ সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখে না। সম্প্রতি কর্মকর্তা সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ করে একটি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যেখানে ৫০টি দোকানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না।
পিরোজপুরের বাজার রোডে ফার্মেসি প্রিন্স মেডিকেল হলের কর্মচারী আলী হোসেন বলেন, ইনসুলিন বা ভ্যাকসিনের মতো ওষুধগুলো ফ্রিজে রাখা হয়, কিন্তু অন্যান্য ওষুধ শুধু সূর্যালোক থেকে দূরে রাখা হয়।
গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণ
ঔষধ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে তাপমাত্রার কোনও হেরফের ওষুধের কার্যকারিতা ধ্বংস করতে পারে। কিছু ওষুধ সংরক্ষণের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা ২০-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা দরকার। তবে বেশির ভাগ ফার্মেসিতে এই ব্যবস্থা নেই।
গত জানুয়ারিতে প্রকাশিত ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দেশে নিবন্ধিত ২৫১টি অ্যালোপ্যাথিক, ২৫৪টি ইউনানী, ১৬৬টি আয়ুর্বেদিক এবং ৪৪টি হারবাল ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বর্তমানে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের অনুমোদিত ৩ হাজার ৫৯৯টি জেনেরিক ওষুধ রয়েছে যাদের অধিকাংশ সংরক্ষণের জন্য ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা চাই।
তাপমাত্রার সঠিক পরিচালনা
সাধারণ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে তাপমাত্রা সবসময় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকতে হবে। আদর্শ তাপমাত্রা সীমা ছাড়া ওষুধের উপাদান ভাঙতে পারে। কোল্ড চেইনের ওষ�
