বিশ্বে এল নিনো ঘটনার আغاز হয়েছে, আবহাওয়া প্রকৃতিতে বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটতে পারে
শ র হয় গ ছ স প – বিজ্ঞানীদের মতে এই বছর এল নিনো পরিস্থিতি ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছে, যে ঘটনাকে তারা ‘সুপার এল নিনো’ নামে চিহ্নিত করেন। এ ঘটনার ফলে বিশ্বের আবহাওয়া প্রকৃতিতে বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটতে পারে। গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে এবং খরা, বন্যা ও ঝড়-বৃষ্টির ঘটনা দুটি পর্যায়ে বেড়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) তাদের নতুন প্রতিবেদনে এই সম্ভাবনা তুলে ধরেছে। এটি আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়েছে। এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে ঘটনা, যেখানে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা উষ্ণ হয়। এ ঘটনার পর আসে লা নিনার মুখোমুখি শীতল সময়।
এনওএএ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে গত কয়েক মাস ধরে প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলে অস্বাভাবিক উষ্ণ পানির প্রবাহ বেড়েছে। ফলে বাতাসের গতিপ্রকৃতি এই সময় পরিবর্তিত হয়েছে।
উষ্ণ পানি মহাসাগরপৃষ্ঠের ৬০০ ফুট থেকে এক হাজার ফুট নিচে প্রবাহিত হচ্ছে এবং এটি হাজার মাইল পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকার কাছাকাছি সাগরপৃষ্ঠে উঠে আসছে। গত প্রাচীন তীব্র এল নিনোগুলো এ ধরনের ঘটনার কারণে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল। এখন সেই সুপার এল নিনো বিশ্বের পরিস্থিতিতে এমন পরিবর্তন ঘটতে পারে যা অপ্রত্যাশিত।
বিশ্বের সর্বশেষ সুপার এল নিনো ঘটেছিল ২০১৫-১৬ সালে। তার আগে ছিল ১৯৯৭-৯৮ ও ১৯৮২-৮৩ সালে। এই ঘটনার ফলে সাগর থেকে বাতাসে উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে এবং আবহাওয়া অস্থির হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।
বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, বর্তমান এল নিনো ঘটনার সময় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলে হারিকেনের মাত্রা আগের তুলনায় বেড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। অনুমান মতে, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও হাওয়াইয়ে এই মুখোমুখি হারিকেন ঘটবে।
বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে যা বিজ্ঞানীদের মতে ২০২৭ সালে বিশ্বের উষ্ণতম বছর হওয়ার নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে। এই বছর আগে উষ্ণতম বছর হয়েছিল ২০২৪। এল নিনো এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সমন্বয়ে পরিবর্তন ঘটতে পারে।
উপরি উল্লেখিত পরিবর্তনের ফলে কোনো অঞ্চল ঘন ঘন বন্যা হতে পারে, আবার কোথাও খরা বয়ে আসতে পারে। ঘূর্ণিঝড় ও টর্নেডোর মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা বাড়বে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বর্ষার বৃষ্টি কম হতে পার
