ভালোবাসার টানে শহুরে মেয়ে অনন্যার দুর্গম যাত্রা নিয়ে ‘লাইফলাইন’
ভ ল ব স র ট ন – একটি সামাজিক ড্রামা জনরের ওয়েব ফিল্ম হিসেবে নিয়োজিত হয়েছে এই ছবি। ছবির প্রধান চরিত্র হলো সাড়ে তিন মাস বয়সী শহুরে মেয়ে অনন্যা, যার জীবনে ভালোবাসার টান প্রাণে নিয়ে অনেক বাধা বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাত্রা করে। ছবি প্রস্তুত করেছেন কাজী আসাদ এবং মাহমুদুল হাসান টিপু। চিত্রনাট্য ও সংলাপে হাত দিয়েছেন আসাদুজ্জামান আবীর ও কাজী আসাদ। ছবিটির মুক্তির তারিখ হলো ২১ জুন, যা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে ঘোষণা করা হয়েছে। ছবির নাম সম্পর্কে বলেন কাজী আসাদ, “সোশ্যাল ড্রামা জনরে আমরা এমন গল্প বলতে চেয়েছিলাম যেটি দর্শকদের সাথে নির্মাতার একটি অনন্য যোগাযোগ তৈরি করে।” তিনি আরও বলেন, ছবির থিমটি মূলত ভালোবাসার টানে জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি অনন্যার কথা বলে।
স্থান ও সময়
‘লাইফলাইন’ ছবিটি সামাজিক বাস্তবতার বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে কথা বলে। ছবির পটভূমিতে অনন্যা মাঝে মাঝে বালু ঘরি বা শহুরে অঞ্চলে বসে থাকে। চরিত্রটি একটি সময়ের মুখোমুখি হওয়া হয়েছে, যেটি ভালোবাসার টানে নিয়ে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রকাশ করে। ছবিটি কর্মীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভালোবাসার টান এবং সমাজের আবেগ একত্রে আসে। সেই মুখোমুখি হওয়া সময়টি চরিত্রটি সে কোন পথ অবলম্বন করবে কিংবা কোন প্রতিক্রিয়া পাবে তা ছবির কেন্দ্রবিন্দু।
ছবিটির সেই নির্মাতার একটি যোগাযোগ তৈরি করা হয়েছে, যেটি ভালোবাসার টানে জীবনের সমাজীয় কিছু পরিস্থিতি প্রকাশ করে। ছবিটি নির্মিত হয়েছে কাজী আসাদ এবং মাহমুদুল হাসান টিপু, যাদের চিন্তা ভাবনার সাথে ছবির পটভূমি একত্র হয়েছে। ভালোবাসার টান সেই যাত্রা নিয়ে করে ছবিটি সোশ্যাল ড্রামার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ছবির অন্যতম অভিনেত্রী হলেন বিদ্যা সিনহা মিম, যিনি অনন্যার চরিত্র প্রদর্শন করেছেন। তাঁর প্রতিটি পার্শ্ব ভালোবাসার টানে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয়তা বোঝায়। ছবির অন্য অভিনেতাদের মধ্যে রেজওয়ান পারভেজ ও গাজী রাকায়েত রয়েছেন, যারা অনন্যার গুরুত্বপূর্ণ আবেগগুলো সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভাবে দর্শকের সাথে যোগাযোগ করে। ছবিটির সম্পূর্ণ পরিচিতি অনেকটা ভালোবাসার টানে সংঘটিত হয়েছে যাত্রার সমাপ্তিতে পরিচিত হয়।
ছবির স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে সামাজিক বাস্তবতার সাথে যুক্ত। এটি একটি সময়ের মধ্যে অনন্যার যাত্রার মুখোমুখি �
