পরীমণি রাষ্ট্রের কাছে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন
ন জ ক ন র দ ষ – ২০২১ সালের ৪ আগস্ট রাষ্ট্রীয় সংস্থা র্যাবের সদস্যদের প্রায় চার ঘণ্টার অভিযানে পরীমণি আটক হন। তাঁর বাসায় বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য খুঁজে পাওয়া হয়। পরে তাঁকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়, যার ফলে তাঁকে প্রায় এক মাস কারাগারে থাকতে হয়। পরীমণির বিরুদ্ধে মামলা অবিচ্ছেদে চলমান রয়েছে।
গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া কেন সংঘটিত হয়েছিল?
র্যাবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলাম জানান, পরীমণি গ্রেপ্তার করার কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল না। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন র্যাব মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের নির্দেশেই গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হয়েছিল।
পরীমণি লেখেন, ‘র্যাবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলাম দেরিতে হলেও আপনি এমন কিছু সত্য প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, যার মাধ্যমে দেশের মানুষ জানতে পারল যে আমাকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে রাষ্ট্রীয় সংস্থার নির্দেশে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।’
পরীমণির সামাজিক ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছে
গত শুক্রবার মধ্যরাতে পরীমণি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। তাঁর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এ ঘটনার ফলে তাঁর জীবনের সম্মান, মানসিক শান্তি ও সময়গুলো হারিয়ে গেছে।
নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন রাষ্ট্র
পরীমণি আরও লেখেন, ‘আদালত আমাকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য এবার হয়তো রাষ্ট্রীয় সাজানো মামলা থেকে মাননীয় আদালত আমাকে মুক্তি দিবেন। কিন্তু সেই দিনগুলো কি আমি ফিরিয়ে পেব? মানুষের মনে আমার বিরুদ্ধে যে অসত্য ধারণা তৈরি হয়েছে, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে?’
তিনি এতে আরও দাবি করেন, এ ঘটনার অভিঘাত তাঁর জীবনকে এমনভাবে বদলে দিয়েছে যার দায়ভার আজও তাঁকে বহন করতে হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো নির্দোষ মানুষ এ ধরনের অন্যায়ের শিকার হতে পারে না বলে তিনি আশা করেন।
