১২ হাজার শিক্ষকের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু
জ ত য় ব শ বব দ – জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর জন্য সারা দেশে বিস্তারিত কর্মসূচি অনুসারে প্রায় ১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ প্রস্তাব সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে তথ্য প্রকাশ করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
কর্মসংস্থানের সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান সংযোগ বৃদ্ধি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রায় আড়াই হাজার কলেজ চালু রয়েছে যেখানে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। গবেষণার মাধ্যমে দেখা গেছে যে উচ্চশিক্ষার পর অনেক শিক্ষার্থী শ্রমবাজারের প্রয়োজনীয় দক্ষতা বাদ দিয়ে কর্মসংস্থানে সমস্যা অনুভব করছেন। সরকার আইসিটি বিভাগ, এটুআই এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য কর্ম সম্পর্কিত বিষয়গুলো গ্রহণ করা হয়েছে।
যুক্তি ও সংস্কারের প্রয়োজনীয় লক্ষ্যগুলো
উপাচার্য ড. আমানুল্লাহ বলেন, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জন্য দক্ষতার উন্নতি ঘটানো এবং বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা বাড়ানো। এ কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য পেশা সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালনা করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমানে শিল্প ও একাডেমির সংযোগের হার কেবল ১০ শতাংশ। সেটি ২০৩০ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংস্কার পরিকল্পনার বিভিন্ন ক্ষেত্রও আলোচনা করা হয়। এখানে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং নৈতিক শিক্ষা বৃদ্ধির বিষয়ে কথা বলা হয়। পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সংস্কার করা হচ্ছে।
নতুন পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো
পরবর্তী পাঠ্যক্রমে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল মার্কেটিং, সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং সহ নতুন বিষয়গুলো শিক্ষা করবেন। কর্মমুখী প্রশিক্ষণ চালানোর জন্য পর্যায়ক্রমে ৯০০ মাস্টার ট্রেইনার প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পরবর্তীতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ভাষা শিক্ষা এবং পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনীয়তা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ ইনস্টিটিউট কলেজগুলোতে ভাষা ক্লাব গড়ে তুলেছে। বিশেষ করে চীনা, জাপানি, কোরীয়, স্পেনীয়, ইতালীয় এবং আরবি ভাষা শিক্ষা কর্মসূচি প্রস্তুত করা হয়েছে। একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে। উপাচার্য আশা করেন এ প্রকল
