বাজেটে শিক্ষা খাত: বরাদ্দ বাড়লেও চ্যালেঞ্জ স্বচ্ছতায়
ব জ ট শ ক ষ খ – ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা পূর্ব অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা বেশি। এ বৃদ্ধির প্রস্তাব সরকারের পক্ষে ইতিবাচক রূপে গৃহীত হয়েছে শিক্ষাবিদদের পক্ষে। তবে তাঁদের মতে, সরকারের এ পদক্ষেপের সফলতা সুশাসন ও স্বচ্ছতার পরিপ্রেক্ষিতে নির্ভর করবে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১১ জুন বাজেট বক্তৃতায় ঘোষণা করেন যে, নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। বাজেটে শিক্ষা খাতে মোট বরাদ্দ হলো ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
বাজেটে শিক্ষা খাতের তিনটি প্রধান বিভাগ হলো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা। এ তিনটি খাতে মোট বরাদ্দ হলো ৮৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ৪৬ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি টাকা। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ হলো ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা। বাকি অর্থ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে।
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালকের মন্তব্য
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অপচয়ের অভিযোগ উঠেছিল। ফলে বাড়তি বরাদ্দের সুফল পাওয়া কঠিন হবে আর্থিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে।
প্রস্তাবিত বাজেটে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও পাঠ্যক্রম সংস্কার সহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের সঠিক বাস্তবায়ন করার জন্য অর্থ কতটা কা�
