সাভার চামড়া শিল্পনগরী: সিইটিপির চাপ কমাতে ব্যবসাহিক নিয়ন্ত্রণ
স ভ র চ মড় শ ল – সাভার চামড়া শিল্পনগরী একটি মুখ্য অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে আসছে। বছরের বেশির ভাগ পরিমাণ চামড়া কোরবানি ঈদের সময় সারা দেশ থেকে সংগৃহীত হয় এবং তা সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে সংগ্রহ করা হয়। এ কারণে সিইটিপি (কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার) তার প্রক্রিয়াজাত কাজে সরাসরি অতিরিক্ত চাপ পেয়েছে। এ সমস্যার মুখোমুখি হয়ে এ বছর ব্যবসাহিক পদক্ষেপের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
চামড়া শিল্পনগরীর বর্তমান সমস্যা
সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে প্রতি বছর অত্যধিক চামড়া সংগ্রহের কারণে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত কাজে সমস্যা দেখা দেয়। কোরবানি ঈদের সময় মূল উপাদানের বেশি পরিমাণ প্রবেশ করায় সিইটিপি ক্ষমতার সীমা প্রায় অতিক্রম করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চামড়া শিল্পনগরীর প্রতিষ্ঠা এবং সংস্থাগুলির প্রক্রিয়াজাত কাজ চাপের মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
সিইটিপি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে বছরের প্রায় অর্ধেক চামড়া কোরবানি সময়ে প্রবেশ করে। এ কারণে নতুন কারখানাগুলি নিজস্ব তরল বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া কারখানাগুলির সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়া পরিস্থিতি বদলে না আসা পর্যন্ত সিইটিপি আরও বেশি চাপ পেতে পারে।
অপরিহার্য বিদ্যুতের সমস্যা
প্রক্রিয়াজাত কাজে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিদ্যুত অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে ট্যানারি কারখানাগুলি দৈনিক ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুত পাচ্ছে না। এ কারণে জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটি টাকার চামড়া বর্জ্য হয়েছে। এ সমস্যার মুখোম�
