দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে প্রবৃদ্ধির উচ্চ লক্ষ্য
দ র বল অর থন ত ত – জাতীয় উৎপাদন ও সেবার পরিমাণ কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে তা পরিমাপ করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের হার নির্ধারণ করা হয়। প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেলে সাধারণত বিনিয়োগ বৃদ্ধি ঘটে এবং কর্মসংস্থান ও আয় বাড়ে। এটি অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য প্রধান সূচক হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু যখন প্রবৃদ্ধি কমতে থাকে, তখন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো আরও উঠে আসে।
চার বছর ধরে দেশের অর্থনৈতিক হার হ্রাস পেয়েছে। প্রথম ত্রৈমাসিক পর্বে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ, কিন্তু দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক পর্বে অর্থনৈতিক ক্ষয় হয়েছে। ফলে শেষ ত্রৈমাসিক পর্বে দেশে সামগ্রিক উৎপাদনের হার মাত্র ৩ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর সতর্কবার্তা এবং অর্থনৈতিক ভেতরের দুর্বলতার কারণে প্রবৃদ্ধির ধারা এখনও সম্প্রসারণের কোনো চিহ্ন দেখায়নি।
অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে সরকার আগামী বাজেটে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির উচ্চ লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। গত অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ৬৮ লাখ ৩১ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকায় পৌঁছাবে বলে পরিকল্পনা করেছে। তবে মূল্যস্ফীতি উচ্চ, ডলার সংকট এবং ব্যাংক খাতের অস্থিরতা বর্তমানে সরকারকে চ্যালেঞ্জ করছে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক মহাপরিচালক ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, অর্থনৈতিক গতি স্থিতিশীল রেখে প্রবৃদ্ধির পথে ফেরানো সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাজস্ব আহরণ ক্ষমতা বাড়ানো না হলে বেসরকারি বিনিয়োগ কমানো হবে। ব্যাংক খাত থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া হলে প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেতে পারে এবং মূল্যস্ফীতি আরও উপরে চড়ে আসবে।
নিট পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, অর্থনৈতিক সংকট থেকে বের হওয়ার জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে উদ্যোক্তারা জ্বালানি, ডলার সংকট, ব্যাংক ঋণ এবং নীতিগত অনিশ্চয়তার কারণে আস্থা ফিরে পানি নি।
পিআরআইয়ের প্রধান অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ড. আশিকুর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতি আর উচ্চ হয়েছে। সুদ পরিশোধে
