ভর্তুকি কমানোর ঝুঁকি নিতে চায় না সরকার
ভর ত ক কম ন র ঝ – ভর্তুকি কমানোর ঝুঁকি নিতে চায় না সরকার হারানো প্রবণতা দেখিয়েছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতির চাপ কমে না গেলে সরকার অবশ্যই ভর্তুকি ব্যয় বৃদ্ধি করার প্রস্তাব বিবেচনা করছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খাদ্য খাতগুলো সহায়তার ক্ষেত্রে অব্যাহত রাখা হয়েছে। এই সময়ে সরকার অবশ্যই ভর্তুকি হ্রাসের জন্য ঝুঁকি গ্রহণ করতে চাইছে না বলে জানানো হয়েছে।
পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা
প্রতিবেদন অনুসারে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য ভর্তুকি হ্রাসের চাপ বাড়িয়ে আসছে। কিন্তু আগামী অর্থবছরে সরকার আরও বেশি ভর্তুকি ব্যয় ধরেছে। তার পরিচয় হল মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও জ্বালানি বাজারের অস্থিতিশীলতা কারণে ভর্তুকি কমানো সম্ভব হচ্ছে না। সরকার অবশ্যই শিল্প ও ভোগ্যপণ্য খাতগুলোতে ভর্তুকি হ্রাস করতে চাইছে না বলে স্পষ্ট করেছে।
বৈশ্বিক চাপের ফল
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে সরকার ভর্তুকি ব্যয় বৃদ্ধির পথ অবলম্বন করছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও অন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিতিশীলতা কারণে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ছে। এই সময়ে সরকার ভর্তুকি কমানোর পরিবর্তে আরও বেশি আর্থিক সমর্থন দিয়েছে। বিশেষ করে কৃষি ও খাদ্য খাতগুলোতে ভর্তুকি স্থায়ী হয়ে আছে।
আগামী বাজেটে ভর্তুকি প্রণোদনা ও নগদ ঋণসহায়তার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। বর্তমান সংশোধিত বাজেটে এই ব্যয় ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের মধ্যে ভর্তুকি ব্যয় আরও ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বাড়বে। এটি অর্থনৈতিক প্রসারের সাথে সম্পর্কিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানো সম্ভব হয় না কারণ উৎপাদন খরচ ও ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যের মধ্যে বেশি পার্থক্য রয়েছে। এই পার্থক্য কমানো ছাড়া ভর্তুকি হ্রাস করা সম্ভব নয়। যেহেতু এই বিষয়টি বিদ্যুত সংক্রান্ত আর্থিক পরিস্থিতির মধ্যে প্রবল ভাবে স্থায়ী হয়ে আছে, সরকার এই সময়ে ভর্তুকি ব্যয় আরও বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।
ভর্তুকি হ্রাসের প্রয়োজন ছিল না কারণ সরকার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চাইছে। বিদ্যুৎ খরচ বাড়ার কারণে কৃষি ও খাদ্য খাতগুলোতে সরাসরি প্রভাব পড়ছে। সেই চাপ বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বিশ্লেষণ করেছেন যে ভর্তুকি কমানো কঠিন হয়ে আছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি দাম বৃদ্ধির কারণে ভর্তুকি হ্রাস করা সম্ভব নয়। বর্তমানে সরকার আর্থিক প্রতিযোগিতা ও মূল্যস্ফীতির চাপে বৃদ্ধি করছে ভর্তুকি ব্যয়। কৃষি ও খাদ্য খাতগুলোতে সারা বছর ভর্তুকি সহায়তা অব্যাহত রাখা হচ্ছে। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা নির্দেশ দিয়েছেন যে ভর্তুকি কমানোর জন্য আরও ঝুঁকি গ্রহণ করা অপ্রয়োজন।
তবে বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধির সম্মুখীন হওয়
