Business

কয়েক দশকের মধ্যে কঠিন সময় অর্থনীতির সামনে

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিবেশে আশঙ্কাজনক চ্যালেঞ্জ বর্তমানে দেখা দিয়েছে

কয় ক দশক র মধ য কঠ – বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশের পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) বিশ্বাস করেছেন যে, গত কয়েক দশকের তুলনায় এটি অর্থনীতির জন্য অন্যতম পরিস্থিতির উপর বেশ গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশের অর্থনৈতিক চাপ উদ্ভূত হয়েছে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যাংক খাত, কমতে থাকা বেসরকারি বিনিয়োগ, নীতিগত অনিশ্চয়তা, দুর্বল রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, অতিমাত্রার ঋণ ও কর্মসংস্থানে ঘাটতি প্রভৃতি কারণগুলোর কারণে।

আজ সোমবার রাজধানীতে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে যার শীর্ষক হলো “বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট: স্পেশাল ফোকাস—আ বিজনেস এনভায়রনমেন্ট দ্যাট ডেলিভার্স জবস।” অর্থনৈতিক ধীরগতির কারণে প্রকৃত প্রবৃদ্ধি হার টানা তৃতীয় বছরের মতো হ্রাস করতে পারে বলে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এটি ৩ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছতে পারে যার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে চলা উন্মুখিত ধীরগতির কারণে আরও কমতে পারে।

“টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের উন্নয়ন জরুরি,” বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ধ্রুব শর্মা বলেন। তিনি জানান যে, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি উচ্চপর্যায়ে থাকবে এবং বৈদেশিক খাতের চাপ কাটবে না। রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা সাহায্য করছে বলে অনুমান, কিন্তু রপ্তানি বৃদ্ধি কমে যাওয়ায় সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।

নীতিগত বিষয়গুলো চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে আসে

অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে প্রথমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা, ব্যাংক খাত সংস্কার করা, কর ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বাধা দূর করা দরকার। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি আমদানি ব্যয় আরও বৃদ্ধি পেতে পারে যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও চলতি হিসাবের ভারসাম্য ধ্বংসের সম্ভাবনা তুলে ধরেছে।

“প্রবৃদ্ধি না বাড়ানো গেলে কর্মসংস্থান তৈরি হবে না। কর্মসংস্থান ছাড়া দারিদ্র্য কমানো সম্ভব নয়,” বলেন পিআরআইয়ের চেয়ারম্যান ড. জাইদী সাত্তার। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গত তিন দশকে

Leave a Comment