হাঁটুপানি মাড়িয়ে যেতে হয় বিদ্যালয়ে, ভোগান্তিতে শতাধিক শিক্ষার্থী
হ ট প ন ম ড় য় – হাঁটুপানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের জন্য সাধারণ কষ্ট হয়ে উঠেছে। নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই শিক্ষার্থীদের পথে বিপদ ঘটে। স্থানীয় রাস্তার উপর পানি ছড়িয়ে পড়ায় হাঁটুপানি মাড়িয়ে কাঁধে বই-খাতা ও জুতা নিয়ে যাওয়া সমস্যার সমাধান হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে বালক বালিকাদের দৈনিক যাতায়াত এক প্রকার ভোগান্তি হয়ে উঠেছে।
পরিস্থিতি কী কী পরিস্থিতি কী কী
বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন রাস্তার দুর্ভোগ আরও গুরুতর হয়ে উঠছে। এ ছাড়া জলাবদ্ধতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের হাঁটুপানি মাড়িয়ে যাওয়া সমস্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়া জন্য একমাত্র পথটি এখন দুর্গম হয়ে উঠেছে। হাঁটুপানি মাড়িয়ে যাওয়া এতটুকু পানির দ্বারা ছাত্ররা কষ্ট পোহাচ্ছে যে বই-খাতা ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় তাদের কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বা মাথার ওপর তুলে পথ চলতে হয়।
গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি উপজেলা সদর থেকে নিকট অবস্থিত, কিন্তু প্রতি বর্ষার মুখে ছাত্রদের জন্য এটি একটি ধরনের ভোগান্তি হয়ে উঠেছে। এ সমস্যার প্রতি মনোনয়ন করে স্থানীয় বাসিন্দারা কিছু সংস্কার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চাইছে। হাঁটুপানি মাড়িয়ে যাওয়ার সমস্যা তাদের কাছে এখন প্রাণপণ প্রতিক্রিয়ার কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে এখন পর্যন্ত বিদ্যালয়সংলগ্ন অঞ্চলে পানি নিষ্কাশনের কোনো সরাসরি প্রয়োগ হয়নি।
রাস্তা জলাবদ্ধতার বাস্তব পরিস্থিতি
হাঁটুপানি মাড়িয়ে যেতে হয় বিদ্যালয়ের পথটি নিয়মিত পানি ভাসতে থাকে। এতে ছাত্রদের হাঁটুপানি মাড়িয়ে যাওয়া সমস্যা আরও গুরুতর হয়ে উঠছে। দুপুরে ছাত্ররা বিদ্যালয় ছুটির পর স্থানীয় রাস্তায় পানি ভাসতে শুরু হয়। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সমস্যার কারণে পোশাক ভেজা, হাত-পা কাদায় মাখামাখি হয়ে উঠছে। সাথে সাথে হাঁটুপানি মাড়িয়ে যাওয়া বিষয়টি দ্রুত প্রশাসন বিষয়টি নজরে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানান।
বিশেষ করে বিদ্যালয়ের পুকুরের কাছাকাছি অবস্থিত ভবনটি এখন ঝুঁকির মধ্যে আছে। হাঁটুপানি মাড়িয়ে যেতে হয় বিদ্যালয়ে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠায় ভবনটির ভাঙচুর ঘটতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন যে হাঁটুপানি মাড়িয়ে যেতে হয় বিদ্যালয়ে পরিস্থিতি সংশোধন না হলে শিক্ষার্থীদের সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশ
